শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




অবসরে গেলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯
স্যার ফজলে হাসান আবেদ-ফাইল ছবি

ব্র্যাকের চেয়ারপারসনের পদ ছেড়ে অবসরে গেলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। তিনি ‘চেয়ার ইমেরিটাস’ পদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। নতুন নেতৃত্বের কাছে সংস্থাটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফজলে হাসান আবেদ। ব্র্যাকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব ও অবস্থান কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে কাজ করবেন তিনি।

মঙ্গলবার ঢাকার মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে নৈশভোজ অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তার অবসরের ঘোষণা দেওয়া হয়। ফজলে হাসান আবেদের বিদায়ে ব্র্যাকের পরিচালনা পর্ষদে চেয়ারপারসনের পদে আসছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

অবসরে যাওয়া প্রসঙ্গে ফজলে হাসান আবেদ বলেন, ‘গত কয়েক বছর আমি ব্র্যাকে পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে অনেক ভেবেছি এবং সেই মতো প্রস্তুতি নিয়েছি। এখন আমার বয়স ৮৩ বছর। ব্র্যাককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার কাজে যথাযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি ছিল আমার সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গর্ব এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, যাতে আমার অবর্তমানেও ব্র্যাক তার শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্র্যাক কখনই আমি বা কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান ছিল না। আমি এর প্রতিষ্ঠাতা ঠিকই, কিন্তু ব্র্যাকের সুদৃঢ় ভিত্তি ও সুনাম তৈরি করেছেন এর নিবেদিত কর্মীরা, তাদের প্রত্যয় ও কর্মনিষ্ঠা দ্বারা। এত বছর ধরে বাংলাদেশ সরকার, সমমনা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, দাতাসংস্থা এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। আগামী দশ বছরে আমরা আমাদের কাজের প্রভাব পৃথিবীর আরও বেশি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমি স্বপ্ন দেখি, ব্র্যাক আগামীতে আরও বড় হয়ে উঠবে, নতুন উদ্ভাবন চালিয়ে যাবে, নতুন দিনের প্রয়োজনে এগিয়ে আসবে নতুন সমাধান নিয়ে।’

চেয়ারপারসনের বিদায়ের সঙ্গে ব্র্যাকের পরিচালনা পর্ষদে সাতটি পদেও পরিবর্তন এসেছে বলে ওই অনুষ্ঠানে জানানো হয়। পরিবর্তন এসেছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পর্ষদেও। ব্র্যাকের বিদায়ী পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন মুশতাক চৌধুরী, তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ, লতিফুর রহমান, রোকিয়া আফজাল রহমান, লুভা নাহিদ চৌধুরী, মার্থা আলটার চেন, আদিব এইচ খান, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও সৈয়দ এস কায়সার কবির।

ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের বিদায়ী পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন সিলভিয়া বোরেন, শাবানা আজমী, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, শফিকুল হাসান কায়েস, আইরিন জুবাইদা খান, পারভিন মাহমুদা, মুশতাক চৌধুরী, ফওজিয়া রশিদ, ভিক্টোরিয়া সেকিটোলেকো ও মারিলো ফন গোলস্টেইন।

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ছোট্ট একটি ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৯৭২ সালে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন ফজলে হাসান আবেদ। গত ৪৭ বছরে বিশ্বজুড়ে অন্তত ১১ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার মাধ্যমে ব্র্যাক পরিণত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং কার্যকর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765