বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন




লালমণিরহাট পৌরসভার কার্যক্রমে স্থবিরতা, শহরজুড়ে ময়লার স্তুপ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯

 

পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলছে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতী। পৌর কার্যালয়ে ২২দিন ধরে ঝুলছে তালা। শহরজুড়ে ময়লার স্তুপ, জ্বলছে না সড়ক বাতি, বন্ধ রয়েছে পানি সরবরাহ, জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, কর আদায়সহ সব ধরনের নাগরিক সেবা। মশার উপদ্রপ বেড়ে যাওয়া বিরাজ করছে ডেঙ্গু আতংক।

ঢাকার ডেঙ্গু রোগ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় সারা দেশে চলছে মশা নিধন কার্যক্রম। ঠিক সেই সময় লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম পৌরসভার আনাচে-কানাচে আবর্জনার স্তুপ ও জলাবদ্ধ থাকায় মশার বংশ বিস্তারের সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। ফলে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে জেলার ওই দুই পৌরসভা পৌরসভায়। সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ও পেনশন দেয়ার দাবিতে লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম পৌরসভার ১৩২জন স্থায়ী এবং প্রায় ৮০০ জন অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে নামেছেন। ফলে জেলার দুই পৌরসভার লক্ষাধিক বাসিন্দার ভোগান্তি এখন চরমে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গত ১৪ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতী কার্যক্রম শুরু করে লালমনিরহাট ও পাটগ্রাম পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। লালমনিরহাট পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু এবং পাটগ্রাম পৌর মেয়র শমসের আলীসহ অন্যান্য কাউন্সিলররা কর্মবিরতি পালনে একাত্মতাও ঘোষণা করেছেন। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ওই দিন থেকেই রাজধানী ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন সারাদেশের কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এনিয়ে গত কয়েকদিন ধরে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সূত্র জানিয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে দাবি পূরণের সিদ্ধান্ত আসার পরেই আন্দোলন স্থগিত করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে পৌরসভা দুটিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় নাগরিক ভোগান্তি অসহনীয় পর্যায়ে পৌছেছে। জেলা শহর এবং পাটগ্রাম উপজেলা শহর দুটিতে ২২ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ না করায় ময়লার স্তুপ এখন যত্রতত্র। আবর্জনার দুর্গন্ধে পথচলাই যেন দায়। জলাবদ্ধ স্থানে মশক নিধনের ওষুধ না ছেটানোর ফলে মশার বংশ বিস্তারের মাধ্যমে দিনে ও রাতে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে শহরবাসী। রাতের বেলায় অলিগলির সড়ক বাতিগুলো না জ্বলায় ছিনতাই-চুরির আতঙ্কে কাটছে বাসিন্দাদের দিন। পাশাপাশি পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় গৃহস্থালি কাজে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মানুষজন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর বিভাগীয় কমিটির সভাপতি লালমনিরহাট পৌরসভার হিসাবরক্ষক শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, “আমরা দুই থেকে ৭৮ মাস পর্যন্ত বেতন পাই না। আমাদের দাবি একটাই সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা প্রদান। ২০১৫ সাল থেকে এই আন্দোলন চলছে। বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস প্রদান করা হলেও তা বান্তবায়ন হয়নি।

 

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ













© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765