মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে অনলাইন প্লাটফর্মে কনটেন্ট উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর চাচী রাজিয়া নাসেরের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন বাংলাদেশ শপ ওনার্স এন্ড বিজনেসম্যান সোসাইটির সাথে বাগেরহাটের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় বাগেরহাটে সহিংসতার ও নির্যাতনের শিকার নারীর রেফারেল বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ‘অনলাইন প্লাটফর্মে জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা




মিঠুনের ফিফটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯
Bangladesh's Mohammad Mithun hits out during the ICC Cricket World Cup group stage match at The Oval, London. (Photo by Simon Cooper/PA Images via Getty Images)

৫৮ রানে সৌম্য-তামিমকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। পরে দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ মিঠুন। প্রথমে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে চাপ কাটিয়ে ওঠেন তিনি। পথিমধ্যে মিস্টার ডিপেন্ডেবল ফিরলেও নিজের স্বভাবজাত খেলাটা খেলতে থাকেন এ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। এর মধ্যে তুলে নেন ফিফটি। এতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। এ খবর পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১৯৮ রান করেছে সফরকারীরা। মিঠুন ৬৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি ২১ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন।

মূল সিরিজ মাঠে গড়ানোর আগে শ্রীলংকা বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। লংকানদের দেয়া ২৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুভসূচনা করেন টাইগাররা। ভালো শুরুর পর হঠাৎ সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। লাহিরু কুমারার বলে আমিলা অপোন্সোকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ৪৫ রানে ফেরার আগে করেন ১৩। সেই রেশ না কাটতেই কাটা পড়েন ড্যাশিং ওপেনার। সেই লাহিরুর বলে কাসুন রাজিথাকে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে করেন ৬ চারে ৩৭ রান।

৫৮ রানে সৌম্য-তামিমকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে মিঠুনকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন মুশফিক। নেমেই লংকান বোলারদের পাল্টা তোপ দাগাতে থাকেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। যোগ্য সমর্থন পান অপর ব্যাটসম্যানের কাছ থেকেও। তাতে চাপ কাটিয়ে ওঠেন টাইগাররা। এক পর্যায়ে মুশফিক-মিঠুনের জুটি জমাট বেঁধে ওঠে। তাতে ছোটে সফরকারীরা। পথিমধ্যে ফিফটি তুলে নেন মুশি। তবে এরপর আর স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ৪৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় কাঁটায় ৫০ রান করে ওয়ানিন্দুর শিকার হন নির্ভরতার প্রতীক।

এর আগে বল হাতে প্রস্তুতির শুরুটাও দুর্দান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ে শ্রীলংকা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে তারা। সোমবার কলম্বোর পি সারা ওভালে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেন লংকানরা। ফলে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই অধিনায়ক ডিকভেলাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন রুবেল।

দ্বিতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আভাস দেন গুনাথিলাকা ও ওশাদা। তবে বাদ সাধেন এ পেসার। মোসাদ্দেকের ক্যাচ বানিয়ে ওশাদাকে প্যাভিলিয়নে পাঠান রুবেল। খানিক পরই ইতিবাচক শুরু করা গুনাথিলাকাকে বিদায় করে দেন তাসকিন। আউট হওয়ার আগে ৫ চারে ২৬ রান করেন এ লংকান ব্যাটার। মাত্র ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েন স্বাগতিকরা।

সেখান থেকে দলকে কক্ষে ফেরানোর লক্ষ্যে জুটি বাঁধেন রাজাপাকশে ও জয়সুরিয়া। তাদের ৮২ রানের জোটে বড় সংগ্রহের ভিত পায় শ্রীলংকা। তবে এ দুজন ফিরতেই আবার পথ হারায় দলটি। দলীয় ১১৪ রানে রাজাপাকশেকে সাব্বিরের তালুবন্দি করেন সৌম্য। ফেরার আগে ৪ চারে ৩২ রান করেন তিনি। পরক্ষণেই লংকান শিবিরে ছোবল মারেন মোস্তাফিজ। পেরেরাকে আউট করেন তিনি।

পরে পথের কাঁটা হয়ে থাকা জয়সুরিয়াকে ফিরিয়ে দেন সৌম্য। ততক্ষণে ৫ চারে ৫৬ রান করে ফেলেন তিনি। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে ফের বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলংকা। সেখান থেকে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন শানাকা ও ওয়ানিন্দু। ৪৯ রানের জুটি গড়ে মাঝের ধাক্কা সামাল দেন তারা। দলীয় ১৯৫ রানে ব্যক্তিগত ৩২ রান করে শেষেরজন ফিরলেও বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যান লংকানরা। পরে রানের গতি বাড়িয়ে চলেন শানাকা। শেষদিকে তার ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যায় বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ।

যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান আকিলা। অবশ্য বেশি রান করতে পারেননি তিনি। তামিমের ম্যাজিক্যাল থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন এ লোয়ারঅর্ডার ব্যাটার। তবে শানাকা তাণ্ডব চলতেই থাকে। ব্যাটকে তলোয়ার বানিয়ে লাল-সবুজ জার্সিধারী বোলারদের কচুকাটা করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮২ রান করে শ্রীলংকা। ৬৩ বলে ৬টি করে চার-ছক্কায় ৮৬ রানের হার না মানা টর্নেডো ইনিংস খেলেন শানাকা। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তাকে সঙ্গ দেয়া অপোন্সো ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765