সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
১৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবে রনি তানভীরের ‘হ্যালো মা’ অর্ণবের মৃত্যু নিয়ে তিন মাসেও ধোঁয়াশা কাটেনি : নেপথ্যে সম্পত্তির দ্বন্দ্ব বলছে পরিবার বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন নিয়ে ক্যাফে ডায়ালগ বাগেরহাটে চোরাই ৮টি ইজিবাইক ও ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা




৪২ বছর পর মা-বাবার সন্ধানে জার্মানি থেকে বাংলাদেশে সেলিনা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯

৪২ বছর পর মা-বাবার সন্ধানে জার্মানি থেকে বাংলাদেশে এসেছেন সেলিনা। ১৯৭৬ সালে বাবা-মাহীন পথে পড়ে থাকা শিশুটিকে নিয়ে যান এক কানাডিয়ান দম্পতি। ঐ সময় সে ছিল পাঁচ দিনের শিশু, নাম তারা। বাড়ি ছিল জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ির গাইতাপাড়া গ্রামে। এরপর কেটে গেছে ৪২ বছর।

সেই তারা এখন সেলিনা, থাকেন জার্মানিতে। আছে এক ছেলে আর এক মেয়ে। সেলিনা বাংলাদেশে এসেছেন তার বাবা-মাকে খুঁজে বের করতে। গত মঙ্গলবার সেলিনা যান জামালপুরের সরিষাবাড়ির গাইতাপাড়া গ্রামেও। কিন্তু তার বাবা-মার দেখা পাননি। গত বুধবার সন্ধ্যায় এসেছিলেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে। নিজের জীবন নিয়ে কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।

সেলিনা জানান, তার কানাডিয়ান পিতা ছোটবেলাতেই জানিয়েছিলেন যে তার দেশের বাড়ি বাংলাদেশে। মাত্র পাঁচ দিন বয়সে তাকে পথে রেখে যায় তার বাবা-মা। এরপর এক লোক তাকে কুড়িয়ে পায়। ঐ সময় সরিষাবাড়ির পথে যাচ্ছিলেন এক কানাডিয়ান দম্পতি। সেই দম্পতি তাকে কানাডায় নিয়ে যান। এরপর বাংলাদেশের তারা কানাডাতে সেলিনা নামে বড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে সেলিনা তার পালক বাবার সঙ্গে কানাডা থেকে জার্মানি চলে যান।

বর্তমানে তিনি একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। তার সঙ্গে আছেন তার পালক বাবা-মাও। সে তার জার্মান বন্ধু মার্ক সিয়েরারকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন দু-সপ্তাহ আগে। এখানে এসে সেলিনার সঙ্গে পরিচয় হয় ময়মনসিংহের দেলোয়ার হোসেনের। দেলোয়ার গত মঙ্গলবার তাদের সরিষাবাড়ির গাইতাপাড়া গ্রামে নিয়ে গেলেও নিজের বাবা-মার সন্ধান পাননি সেলিনা। সেলিনা জানান, তিনি আরো দু-সপ্তাহ বাংলাদেশে থাকবেন এবং বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করবেন।

সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765