শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ১৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবে রনি তানভীরের ‘হ্যালো মা’ অর্ণবের মৃত্যু নিয়ে তিন মাসেও ধোঁয়াশা কাটেনি : নেপথ্যে সম্পত্তির দ্বন্দ্ব বলছে পরিবার বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন নিয়ে ক্যাফে ডায়ালগ বাগেরহাটে চোরাই ৮টি ইজিবাইক ও ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ




জাবি শিক্ষক সমিতির সম্পাদকসহ ৪ জনের পদত্যাগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৯
ছবি সংগৃহিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষসহ চারজন পদত্যাগ করেছেন।

পদত্যাগকারী শিক্ষকরা হলেন– সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সোহেল রানা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন তুহিন, সদস্য অধ্যাপক মাহবুব কবির ও সদস্য অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান অধ্যাপক সোহেল রানা।

তিনি বলেন, আজকের শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় শিক্ষক সমিতি শিক্ষক–শিক্ষার্থীর স্বার্থে কিছুই করতে পারেনি। আমরা মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় জরুরী মিটিংয়ে বসেছিলাম। সেখানে বিচার চাওয়া তো দূরের কথা শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদও করতে পারেনি। উল্টো শিক্ষক নেতারা আন্দোলনকারীদেরকে তিরস্কার করেছে।

তাই আমরা মনে করছি যে শিক্ষক সমিতি এই কমিটি শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের স্বার্থ আদায়ে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছি। তাই আমরা দায়বদ্ধতা ও বিবেকের তাড়না থেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। তার অপসারণ দাবিতে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে তাকে বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরতরা।

আজ নিয়ে (মঙ্গলবার) টানা ১১ দিন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ এবং দশম দিনের মতো সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা। ফলে কার্যালয়ে যেতে পারছিলেন না উপাচার্য।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় আটজন শিক্ষকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। হামলা চলাকালে উপাচার্যের বাসভবনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশকে নীরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এছাড়া উপাচার্যপন্থী শিক্ষক–কর্মকর্তাদের ‘ধর ধর’, ‘জবাই কর’ স্লোগান দিয়ে হামলায় উসকানি দিতে দেখা গেছে।

পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ, শাখা ছাত্রলীগ, প্রশাসনপন্থী শিক্ষক–কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কড়া পাহারায় নিজ গাড়িতে করে বাসভবন থেকে বের হন উপাচার্য।

সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765