শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের ক্ষেত্রে ভালো চর্চা তুলে ধরা এবং অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ক্যাফে ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি হোটেলের সেমিনার কক্ষে এএসবি‘র সহায়তা সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) আয়োজনে ‘ক্যাফে ডায়ালগ উইথ রিলেভেন্ট স্টেকহোল্ডারস টু প্রমোট গুড প্র্যাকটিসেস অব ইনক্লুসিভ ডিআরআর অ্যান্ড সিসিএ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) কোঅর্ডিনেটর সুরীর কুমার সাহা, ডক্যুমেন্টেশন অফিসার সুচনা আক্তার, ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের আঞ্চলিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজনে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (সিসিএ) কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুর্যোগপ্রবণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান ভালো উদ্যোগগুলো চিহ্নিত করে তা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা জরুরি। এ ধরনের সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনায় প্রতিফলিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাগেরহাটের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে এ ধরনের অংশীজনভিত্তিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। বাগেরহাটে চোরাই ৮টি ইজিবাইক ও ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন




১২ হাজার বছরের সভ্যতা ধ্বংস হবে জেনেও বাঁধ দিচ্ছে তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

১২ হাজার বছরের ঐতিহাসিক শহর বাঁধের পানিতে তলিয়ে যেতে বসেছে। যদি টাইগ্রিস নদীর তীরে তুরস্কের হাসানকেইফ শহরের সলিল সমাধি হয়, সে ক্ষেত্রে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে কয়েক হাজার গুহা, প্রাচীন গির্জা ও সমাধি।

বিশ্বের প্রাচীনতম জীবন্ত শহর হাসানকেইফের সর্বনাশ ডেকে নিয়ে আসছে বিতর্কিত ইলিসু বাঁধ প্রকল্প। জানা গেছে, ২০০৬ সালে পানিবিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্যে ওই বাঁধ প্রকল্প নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

শহরের বাসিন্দারা এবং পরিবেশবিদদের আন্দোলন ও প্রতিবাদের পরেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাঁধের কারণে নিশ্চিহ্ন হতে যাচ্ছে ওই গুহানগরী।

গত ৬০ বছর ধরে টাইগ্রিসে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। বরাবরই প্রকল্প ঘিরে সমালোচনা হচ্ছে। তবে সেদিকে বরাবরই ভ্রুক্ষেপ করেনি তুরস্ক প্রশাসন। অথচ বরাবরই পানিবিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে বছরে চার হাজার দু’শ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের হাতছানি বেশি টেনেছে সরকারকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিসু বাঁধ তৈরি হলে ১৯৯টি জনবসতিপূর্ণ এলাকা ডুবে যাবে। কয়েক হাজার প্রাচীন গুহা এবং অসংখ্য ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক সৌধ তলিয়ে যাবে চিরতরে। আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রকল্পের জেরে বাস্তুচ্যুত হবেন অন্তত ৮০ হাজার মানুষ।

বাঁধ নির্মাণের কারণে লুপ্ত হবে বেশ কিছু উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণী প্রজাতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে জৈবিক ভারসাম্যও।




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের ক্ষেত্রে ভালো চর্চা তুলে ধরা এবং অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ক্যাফে ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি হোটেলের সেমিনার কক্ষে এএসবি‘র সহায়তা সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) আয়োজনে ‘ক্যাফে ডায়ালগ উইথ রিলেভেন্ট স্টেকহোল্ডারস টু প্রমোট গুড প্র্যাকটিসেস অব ইনক্লুসিভ ডিআরআর অ্যান্ড সিসিএ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) কোঅর্ডিনেটর সুরীর কুমার সাহা, ডক্যুমেন্টেশন অফিসার সুচনা আক্তার, ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের আঞ্চলিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজনে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (সিসিএ) কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুর্যোগপ্রবণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান ভালো উদ্যোগগুলো চিহ্নিত করে তা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা জরুরি। এ ধরনের সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনায় প্রতিফলিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাগেরহাটের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে এ ধরনের অংশীজনভিত্তিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765