শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




হাসপাতালে প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর ঘটনায় প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৩

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯

ময়মনসিংহের ফুলপুর হাসপাতালে বুধবার রাত ১১টার দিকে সাবিনা ইয়াসমিন (১৭) নামে এক প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর ঘটনায় কথিত প্রেমিক কামরুল ইসলামসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনের  নির্দেশনায় ওসি ইমারত হোসেন গাজীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধীতপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত অন্য আসামিরা হলেন কামরুলের বাবা আব্দুল বারেক (৫৫) ও তার মা ফিরোজা খাতুন (৪৮)। ফিরোজাকে বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার কুমুরিয়া (বস্তিপাড়া) গ্রামের লিয়াকত আলী খাঁর মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন গাজীপুর কোণাপাড়া রোডে একটি গার্মেন্টসে কাজ করতো। সে সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। সেই সূত্রে মঙ্গলবার প্রেমিকা সাবিনাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফোন করে প্রেমিক কামরুল তার নিজ বাড়ি ফুলপুরের ধীতপুর গ্রামে নিয়ে আসে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে সাবিনা রহস্যজনক কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার সকালে প্রথমে ফুলপুরে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দিয়ে নিয়ে যায়। পরে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় আবার সাবিনাকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সংবাদ শুনে মা ফিরোজা খাতুনকে রেখে প্রেমিক কামরুল ও অন্যরা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ এনে প্রেমিক কামরুল ইসলাম, তার পিতা আব্দুল বারেক, মা ফিরোজা খাতুন ও ভগ্নিপতি হায়াতুল্লাহসহ অজ্ঞাত নামা আসামি দিয়ে সাবিনার পিতা লিয়াকত আলী খাঁ বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পুলিশ প্রেমিকের মা ফিরোজা খাতুনকে গ্রেফতার করলেও প্রেমিক কামরুলসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765