শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল যুবলীগের খালেদ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা করেছিল সাম্প্রতিক অভিযানে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। ১৯৮৯ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা করেছিল এই খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা চেষ্টার সময় সেখানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন তিনি। খালেদ এ হামলার অন্যতম আসামি।

জানা যায়, তৎকালীন ফ্রীডম পার্টির সঙ্গে তার যোগসূত্র ছিল। ওই হামলা মামলাসহ আরও কয়েকটি আলোচিত হত্যা মামলার আসামি তিনি। কিন্তু একবারও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় নি তাকে। তার প্রভাবশালী আইনজীবী বাবা তাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন বার বার। ২০১৭ সালে মামলার রায়ে ফ্রীডম পার্টির মানিক, মুরাদসহ ১১ জনের ২০ বছর করে সাজা হলেও খালেদের কিছুই হয় নি। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে রেহাই পেয়ে যান খালেদ। ভোল পাল্টে অর্থ আর ক্ষমতার জোরে বাগিয়ে নেন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ। মালিক বনে যান অঢেল সম্পদের। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ওই ঘটনার পুনঃতদন্ত করে সিআইডি। সেখানে দেখা যায় ‘খালেদ অলিভী’ নামে একজনের নাম আছে। ১৯৯১ সালে সূত্রাপুর থানার একটি মামলায় তাকে মৃত দেখানো হয়। প্রতিবেদনে মৃত তিনজন আসামির মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণ উল্লেখ থাকলেও খালেদ অলিভী এবং অন্যজন কিভাবে মারা গেঠে তার কোনও তথ্য উল্লেখ নেই। ১৯৯৪ সালে শাজাহানপুর রেলওয়ের কলোনীর আলোচিত পলাশ হত্যা মামলায় আসামির তালিকায় খালেদের নাম রয়েছে। একাধিক মামলায় শাজাহানপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ফ্রীডম পার্টির ক্যাডার মানিকের সাথে খালেদের নামও এসেছে। সে সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী মানিকের ছত্রছায়াতেই বেড়ে উঠে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। শুধু ওই দুই মামলায় নয় আরও অনেক মামলায় তার নাম আসলেও বিচারের মুখোমুখি হতে হয় নি তাকে। কারণ তার বাবা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ছিলেন বিএনপিপন্থী প্রভাবশালী আইনজীবী এবং অ্যাটর্নি জেনারেল। ৯১ সালের সূত্রাপুর থানায় করা মামলায় নিহত ব্যক্তি অলিভীর নামের আগে খালেদ জুড়ে দেয়া হয়। ফলে সুকৌশলে তারা নাম মুছে দেয়া হয়।

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার কর্মচারী মোহাম্মদ আলী বলেন, খালেদ এ ঘটনার সথে জড়িত ছিলেন। একদিন তারা বাবা আমাকে বলেছিলেন, যদি অ্যাডভোকেট না হতাম খালেদের এসব মামলা গায়েব করে দিতে পারতাম।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765