রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি




রামপালে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষকের মানহানী : নিন্দা ও প্রতীবাদ

রামপাল(বাগেরহাট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

রামপাল কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) দীনবন্ধু পাল ও তার প্রতিষ্ঠানের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক মোঃ সাইফুল আলমকে জড়িয়ে একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও ফেসবুকের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করার প্রতিবাদে নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।

রামপাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিনবন্ধু পাল এক বিবৃতিতে জানান, গত ৩ আগষ্ট ২০১৯ ইংরেজী তারিখে রামপাল কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক সাইফুল ইসলামকে রামপাল উপজেলা বিদ্যুৎ অফিস থেকে দাওয়াত দেওয়ায় তাদের অনুষ্ঠানে যোগদানের উদ্দেশে কলেজ থেকে যাত্রা করেন। তিনি কলেজের ক্লাস শেষ করেই আমার অনুমতি সাপেক্ষে ১১.৪৫ মিনিটে কলেজ ত্যাগ করেন। এ ঘটনাকে পুজি করে একটি কুচক্রী মহল জনসাধারনের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক ক্লাস করেন না বা ক্লাস বাদ দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করেন বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ায়।

অধ্যক্ষ দীনবন্ধু পাল আরো বলেন যে, রামপাল কলেজে যে সমস্ত শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস করেন ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন, তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম। ইংরেজী বিষয়ের ফলাফল নিয়ে যে কথা বলা হয়েছে , এ সম্পর্কে কলেজ অধ্যক্ষ বলেন যে, ২০১৯ সালে কারিগরী বিভাগে ৮৪ শতাংশ পরিক্ষার্থী উত্তীর্ন হয়েছে এবং সাধারন শাখায় নিয়মিত পরিক্ষার্থীদের ইংরেজীতে পাশের হার ৮৮শতাংশ। শুধু তাই নয়, তিনি তার প্রাপ্য ২০টি নৈমিত্তিক ছুটি ও প্রয়োজন না হলে নেন না। তিনি আরো বলেন যে, একজন শিক্ষক ক্লাস নেন কিনা তার বড় ক্লাসের হাজিরা ও শিক্ষক হাজিরা খাতা । এছাড়া বর্তমানে প্রত্যেকটি ক্লাস মনিটরিং এর জন্য একটি একাডেমিক কমিটি রয়েছে এবং ক্লাস না করে কোন শিক্ষককে কোথাও যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয় না বলে তিনি জানান। শুধুমাত্র সুনামহানী করতে কোনো ধরনের তথ্যপ্রমান যাচাই না করে এধরনের বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করার জন্য চরম নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়।




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765