রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান বাগেরহাটে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ বাগেরহাটে তিন মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেন শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার




মিন্নির জবানবন্দি প্রত্যাহার ও চিকিৎসার আবেদন খারিজ

বরগুনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জবানবন্দি প্রত্যাহার ও তার চিকিৎসার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

সোমবার মিন্নির আইনজীবী বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম আদালতের এ দুটি আবেদন করেন। তবে শুনানি নিয়ে আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী আবেদন দুটি খারিজ করে দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, আদালতে মিন্নির দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রত্যাখ্যানের জন্য আবেদনে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ জন্য মিন্নিকে আদালতে হাজির করার বিষয়ে একটি আবেদন করা হয়েছিল। এছাড়া মিন্নিকে চিকিৎসা দিতে আরেকটি আবেদন করা হয়েছিল। তবে দুটি আবেদনই আদালত খারিজ করে দিয়েছেন।

এর আগে রোববার মিন্নির করা জামিন আবেদন নাকচ করে দেন একই আদালত।

২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে রিফাত শরীফকে। এ ঘটনায় পরের দিন ২৭ জুলাই ১২ জনের নাম উল্লেখ করে নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

রিফাত হত্যা মামলায় নাটকীয়ভাবে মিন্নিকে ১৬ জুলাই গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৭ জুলাই বরগুনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই ১৯ জুলাই মিন্নি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা  জেলগেটে দেখা করতে গেলে মিন্নি তাদের বলেন, আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে পুলিশ তাকে যা বলতে বলেছে তিনি তাই বলেছেন। না বললে পুনরায় রিমান্ডে নেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল মিন্নিকে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জন আসামি গ্রেফতার হয়েছে এবং মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

গ্রেফতারদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৪ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং মামলার তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজীকে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765