বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




ভারতীয় ভূখণ্ডের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনের সেনাবাহিনী। তৈরি করে ফেলেছে একটি ঝুলন্ত ব্রিজও। অরুণাচল প্রদেশের বিজেপি বিধায়কের এ দাবি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ভারত-চীন সীমান্তের চাগলাগাম এলাকায়।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা বা নাগরিকের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবু ওই এলাকায় টহলদারি জোরদার করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

রাজ্যের বিজেপি সভাপতি অরুণাচল পূর্ব কেন্দ্রের সংসদ সদস্য টাপির গাও সম্প্রতি বিভিন্ন সাংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছিলেন, চাগলাগামের ডিমারু নালার ওপর একটি ‘সাসপেনশন ব্রিজ’ নজরে এসেছে আদিবাসীদের। ঘন জঙ্গলে ঘেরা ওই এলাকার গাছ কেটে কাঠ দিয়ে ওই ব্রিজটি তৈরি করেছে চীনা সেনাবাহিনী। দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট সব দফতরে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন টাপির গাও।

যেখানে ব্রিজ তৈরির কথা বলেছেন টাপির গাও, সেই ডিমারু নালা অন্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। জনবসতি খুব কম। রয়েছে প্রচুর পাহাড়ি ঝর্ণা ও নালা। অসংখ্য ‘ফিশ টেল’ প্রজাতির লম্বা গাছ এবং নিচে ঘন জঙ্গলে ঘেরা বলে কার্যত দুর্গম ওই এলাকা।

শিকার এবং ভেষজ উদ্ভিদ সংগ্রহ করতে জনজাতি শ্রেণির কিছু মানুষের আনাগোনা রয়েছে। তবে সেনা জওয়ানরাও রুটিন টহলদারি চালায় এসব এলাকায়।

চীন-অরুণাচল সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত। লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা ম্যাকমোহন লাইন থেকে চাগলাগামের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। চাগলাগাম থেকে আবার ডোইমুর নালার দূরত্ব ২৫-৩০ কিলোমিটার। ফলে টাপির গাওয়ের দাবি সত্যি হলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে চীনা বাহিনী। দিল্লিতে বিষয়টি জানানোর পরই এ নিয়ে কার্যত তোলপাড় পড়ে যায়। ভারতীয় সেনাসহ কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ।

এমন ঘটনায় বুধবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, টাপির গাওয়ের দাবি ঠিক না। এ ধরনের কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যেখানকার কথা বলা হয়েছে, সেটা ‘ফিশ টেল’ এলাকা। অন্যান্য কয়েকটি এলাকার মতো ওই এলাকাতেও সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিমারু নালার ওপরে যে জায়গার কথা বলা হয়েছে, সেখানে এই ধরনের কোনো ব্রিজ সেনাবাহিনীর নজরে আসেনি।

সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকা ঘন জঙ্গলে ঢাকা। নালা-ঝোরা ও পাহাড়ি চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। ওই এলাকায় হেঁটে ছাড়া অন্য কোনো যানবাহনে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। যেহেতু সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাই ভারত এবং চীন দুদেশের সেনা জওয়ানরাই বর্ষাকালে টহলদারির জন্য নালাগুলির ওপর অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করে। তবে এটা নিশ্চিত যে চীনের সেনা বা কোনো নাগরিকের স্থায়ী উপস্থিতি ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি। তবু কড়া নজরদারি রয়েছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765