রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান বাগেরহাটে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ বাগেরহাটে তিন মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেন শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার




বড় বোন এসে দেখলেন ছোট ভাইয়ের নিথর দেহ

সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯

বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গিয়ে ধলাইর বুকে হারিয়ে গিয়েছিল লিডিং ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র হাসানুর রহমান আবীর। তিন দিন থেকে ডুবুরিরা চেষ্টা চালিয়েও খুঁজে পাচ্ছিলেন না তার মরদেহ। দুঃসংবাদ পেয়ে সুদুর যুক্তরাজ্য থেকে মঙ্গলবার দেশে ছুটে আসেন বড় বোন নীলা। তার আগমনের দিনই ধলাই নদীতে ভেসে ওঠে আবীরের লাশ। প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা যে ছোট ভাইকে রেখে যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন সেই ভাইয়ের নিথর দেহটাই দেশে ফিরে দেখলেন তিনি।

হাসানুর রহমান আবীর সিলেট নগরীর খাসদবীর সৈয়দ মুগনী এলাকার আবদুল মতিনের ছেলে।
রবিবার বন্ধুদের সাথে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর বেড়াতে গিয়েছিল আবীর। স্রোতের টানে সে হারিয়ে যায় ধলাই নদীতে। এরপর স্থানীয় লোকজন ও ডুবুরিরা অনেক চেষ্টা চালান। কিন্তু খোঁজ মিলেনি আবীরের।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয় এক মাঝি ধলাই নদীর ব্যাংকার এলাকায় একটি লাশ ভাসতে দেখে খবর দেন পুলিশে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে রাত ১০টার দিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

লাশের সন্ধান দেয়া মাঝি কালা মিয়া জানান, সন্ধ্যার সময় তিনি সাদাপাথর থেকে পর্যটক নিয়ে ফেরার সময় ব্যাংকার এলাকার পাশ্বববর্তী কালিডহর এলাকার একটি লাশ ভাসতে দেখে ঘাটে এসে লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয় লোকজন ও বিজিবি সদস্যরা লাশটি তীরে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

এদিকে, ছোট ভাইয়ের দুঃসংবাদ পেয়ে বড় বোন নীলা দেশে ছুটে আসতে পারলেও সাতসমুদ্রের ওপারে কাঁদছেন আরেক বোন নিশা। পাসপোর্ট জটিলতায় তিনি ফিরতে পারেননি দেশে। সপ্তাহখানেক পর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765