রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি




বানরের কারণে বিয়ে হচ্ছে না রতনপুর গ্রামের মেয়েদের!

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মেয়ে দেখতে ভাল। পড়াশোনাও করেছে। বাড়ির কাজকর্ম অল্পবিস্তর জানে। মেয়ে যেমন রাজি বিয়ে করতে, তেমন আবার মত রয়েছে পরিবারেরও। বিয়ের প্রস্তুতিতে কোনও ত্রুটি নেই। তা সত্ত্বেও বিয়ে হচ্ছে না গ্রামের তরুণীদের। কারণ তাদের বিয়েতে বাধ সাধছে শুধুমাত্র একদল বানর। ভাবছেন তো চারপেয়ে প্রাণীদের জন্য আবার কারও বিয়ে ভাঙতে পারে? কিন্তু এটাই বাস্তব। কারণ জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি।

ভারতের পাটনা শহর থেকে মাত্র ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভোজপুরের রতনপুর গ্রাম। রাস্তাঘাট মোটের ওপর মন্দ নয়। উন্নতির আলো এক্কেবারে পৌঁছায়নি, তাও বলা যাবে না। তবে এই গ্রামে মূল সমস্যা বানর। প্রায়শই এলাকায় তাণ্ডব চালায় তারা। গ্রামবাসীদের কাছে ত্রাস বানর। আঁচড়ানো, কামড়ানোর মতো অত্যাচারের ঘটনা লেগেই আছে। গ্রামের লোকেরা আতঙ্কে প্রায় কাঁটা হয়েই থাকেন। বুঝে শুনে পা ফেলেন গ্রামবাসীরা।

বাইরে থেকে আসা লোকজনেরা যদিও এতো কিছু জানেন না। তাই আচমকাই গ্রামে এসে একবার হামলার শিকার হন একদল মানুষ। তারা গ্রামে এসেছিলেন বরযাত্রী হিসাবে। হইচইয়ের ফলে বিরক্ত হয় বানর। একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ে বরযাত্রীদের উপর। বানরের হামলায় পণ্ড হয়ে যায় বিয়ে। জখমদের তড়িঘড়ি ভরতি করা হয় হাসপাতালে। নিহত হন অনেকেই। ওই ঘটনার পর থেকে রতনপুর গ্রামে ছেলের বিয়ে দিয়ে আর বিপদ ডেকে আনতে চান না কেউই। তাই নিরুপায় অবস্থা কন্যাদায়গ্রস্ত বাবাদের।

তাদের বক্তব্য, ‘কেউ বরযাত্রী নিয়ে আসতে রাজি হচ্ছেন না। তাই আমাদের মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে না। ওরা কুমারী থেকে যাচ্ছে।’

বানরের উৎপাতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীরা। মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে বাধ্য হয়ে বনদপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা। কবে বানরের কবল থেকে মুক্তি পায় গ্রাম, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765