শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




বাগেরহাটে ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপার গ্রেফতার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯

বাগেরহাটে শরণখোলায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপার ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দারকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ইলিয়াস হোসেন শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা রাশিদিয় ইবতেদায়ী মাদরাসার সুপার এবং একই উপজেলার পূর্ব রাজাপুর গ্রামের মৃত আঃ গফফার জোমাদ্দারের ছেলে।

পিবিআই এর বাগেরহাট জেলা প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মোজাম্মেল হক জানান, মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলাটি গত ১৪ সেপ্টেম্বর পিবিআই এ হস্তান্তর করা হয়। মাদ্রাসা সুপার রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারের জন্য এর আগে গাজিপুর এবং পিরোজপুরেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাটাখালী এলাকা থেকে সে বাস যোগে পালানোর সময় তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার মাদ্রাসা সুপার ইলিয়াছ জোমাদ্দারকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

গত ৮ আগস্ট বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের উত্তর খোন্তাকাটা রাশিদিয়া (সতন্ত্র) এবতেদায়ী মাদরাসায় ছাত্রীটিকে ধর্ষনের ঘটনা ঘটে।  লম্পট মাদরাসা সুপার ওইদিন বিকেলে মেয়েটির বাড়িতে যান। সেখানে গেলে মা-বাবা ও পারিবারের লোকজন মেয়ের অসুস্থতার কথা সুপারকে জানালে তিনি বলেন, হয়তো মাদরাসা থেকে আসার পথে খারাপ বাতাস লেগেছে। তাই রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

পরে ওই লম্পট মেয়েটিকে তাবিজ ও পানিপড়া দেন। এতে সে সুস্থ না হওয়ায় স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তাতেও সুস্থ না হলে ঘটনার দুদিন পর মেয়েটি ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। মা-বাবা মানসম্মানের ভয়ে গোপনে পার্শ্ববর্তী মোরেলগঞ্জ উপজেলার রাইসা ক্লিনিকে চিকিৎসা করালে সে কিছুটা সুস্থ হয়। পরে ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি মামলার পরামর্শ দেন।

পরে ১৯ আগস্ট রাতে নির্যাতিত ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ইলিয়াস হোসেন নামের ওই সুপারের বিরুদ্ধে শরণখোলা থানায় মামলা করেন। মামলার পরে সুপার গা ঢাকা দেয়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765