বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে ‘কুয়েট দিবস’

খুলনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বর্ণাঢ্য আয়োজনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ ১৭তম বর্ষে পদার্পন করেছে। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আজ রোববার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রীতি সমাবেশ, বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রজেক্ট ও পোষ্টার প্রদর্শনীসহ দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবসমূহ উম্মুক্ত করা হয়েছে।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন ও শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে ‘কুয়েট দিবস-২০১৯’ উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। উদ্বোধনের পরই বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা কুয়েট ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে নগরীর ফুলবাড়ীগেটস্থ খুলনা-যশোর রোড অতিক্রম করে পুণরায় ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়।

আনন্দ শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরে বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও দৃশ্য সম্বোলিত প্লাকার্ড বহন করেন।

২০০৩ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। খুলনা শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশেই ফুলবাড়ীগেট এলাকায় ১০১ একর এলাকা নিয়ে মনোরম পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয়টি অবস্থিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের জন্য ভৌত অবকাঠামো, লাইব্রেরী ভবন, আধুনিক ল্যাবরেটরী ও কম্পিউটার সেন্টার, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হল, স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টার, ক্যাফেটেরিয়া, খেলার মাঠ, পুকুর, মেডিকেল সেন্টার, মসজিদ ইত্যাদি বিদ্যমান। বর্তমানে তিনটি অনুষদের অধীনে ২০ টি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এই বিশ্ববিদ্যায়ে পাঁচ সহস্রাধীক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এছাড়া সাড়ে তিন শতাধীক শিক্ষক, দেড়শতাধীক কর্মকর্তা এবং তিনশতাধীক কর্মচারী দিয়ে চলছে কুয়েটের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্র্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, আরবান এন্ড রিজিওনাল প্লানিং, বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, ম্যাটেরিয়ালস্্ সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনার্জি সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত ও মানবিক বিভাগের কার্যক্রম রয়েছে। রয়েছে তিনটি ইনস্টিটিউট। অদুর ভবিষ্যতে বাড়বে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন, বিভাগ ও লোকবল। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভিন্নভাবে ঐতিহ্য বহন করছে। এটি ১৯৬৭ সালে খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৭৪ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে, অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও খুলনাবাসীর ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব টেকনোলজী (বিআইটি), খুলনা। এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত ডিগ্রী প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলেও বিভিন্ন সমস্যা এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা থাকার কারনে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশের আরো তিনটি ইনষ্টিটিউট অব টেকনোলজীসহ এই প্রতিষ্ঠান ২০০৩ সালের ০১ সেপ্টেম্বর প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। যাত্রা শুরু হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষনা কার্যক্রমের আওতায় ও বিভিন্ন দেশের সাথে যৌথ সহযোগিতায় একাধিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ এবং এসব গবেষনাসমূহ দেশ ও বিদেশের গবেষণাপত্রে নিয়মিত প্রকাশনার সুবিধা বিদ্যমান। উন্নত টেলিকমিউনিকেশন, ইন্টারনেট, ওয়াইফাইসহ ক্যাম্পাস বিস্তৃৃৃৃত ফাইবার অপটিক ব্যাকবোন নেটওয়ার্কের সুবিধা একটি উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যাহা এই বিশ্ববিদ্যালায়ে বিদ্যমান রয়েছে।

 

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765