শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের ক্ষেত্রে ভালো চর্চা তুলে ধরা এবং অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ক্যাফে ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি হোটেলের সেমিনার কক্ষে এএসবি‘র সহায়তা সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) আয়োজনে ‘ক্যাফে ডায়ালগ উইথ রিলেভেন্ট স্টেকহোল্ডারস টু প্রমোট গুড প্র্যাকটিসেস অব ইনক্লুসিভ ডিআরআর অ্যান্ড সিসিএ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) কোঅর্ডিনেটর সুরীর কুমার সাহা, ডক্যুমেন্টেশন অফিসার সুচনা আক্তার, ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের আঞ্চলিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজনে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (সিসিএ) কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুর্যোগপ্রবণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান ভালো উদ্যোগগুলো চিহ্নিত করে তা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা জরুরি। এ ধরনের সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনায় প্রতিফলিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাগেরহাটের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে এ ধরনের অংশীজনভিত্তিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। বাগেরহাটে চোরাই ৮টি ইজিবাইক ও ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন




জাতিসংঘে কোণঠাসা হয়ে পড়ার আশঙ্কা ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মানবাধিকার কাউন্সিলের কমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বৈঠকে সোমবার অস্বস্তিতে পড়ে নরেন্দ্র মোদি সরকার। জেনেভায় ওই বৈঠকের শুরুতেই কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে প্রশ্নের মুখে ফেলে সংস্থাটির কমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। এ ছাড়া আসামের নাগরিক তালিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তান ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করবে বলে আশঙ্কা ছিল দিল্লির। সোমবার পরিস্থিতি অনেকটা সে দিকেই গড়ায়। মানবাধিকার কমিশনার মিশেল নিজেই কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলায় ইসলামাবাদ কিছুটা সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকেরা।

মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪২তম অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে মিশেল বলেন, ‘‘আমরা কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখার দু’দিকেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর পাচ্ছি। সম্প্রতি ভারত সরকার কাশ্মীরে ইন্টারনেট যোগাযোগ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়েছে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারত ও পাকিস্তান সরকারকে কাশ্মীরিদের মানবাধিকার রক্ষার আরজি জানিয়েছি আমরা। এখন বিশেষত ভারতের কথাই বলতে চাই। আমার অনুরোধ, কাশ্মীরে কারফিউ তুলে নিক দিল্লি। মানুষকে ন্যূনতম সেবা পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। যাদের আটক করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলতে হবে।’’

মিশেল বলেন, ‘‘কাশ্মীর নিয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সেখানকার বাসিন্দাদের শামিল করতে হবে।’’

কাশ্মীরের পাশাপাশি আসামের নাগরিক তালিকা বা এনআরসি প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিশেল। তিনি বলেন, ‘‘এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় ১৯ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। ফলে প্রবল উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।’’

এদিকে সাউথ ব্লক সূত্র পত্রিকাটিকে জানায়, মানবাধিকার কাউন্সিলে দুটি পদক্ষেপ নিতে পারে পাকিস্তান। তারা কাউন্সিলের প্রধানের কাছে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা চাইতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট স্থির করবেন ওই আলোচনা হবে কি না। তা না হলে কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে একটি বিশেষ প্রস্তাব পাশ করাতে চাইবে। এ ক্ষেত্রেও ভোটাভুটি হবে।

আরও বলা হচ্ছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে কাউন্সিলের ৪৭টি সদস্য-দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওই দেশগুলোকে জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পরে এখনো পর্যন্ত প্রাণহানি বা সংঘাত হয়নি।

এদিকে জেনেভায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও ভারত পাঠাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) বিজয় সিং ঠাকুরকে। এর মাধ্যমে তারা পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বকে ছোট করে দেখাতে চায়।




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের ক্ষেত্রে ভালো চর্চা তুলে ধরা এবং অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ক্যাফে ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি হোটেলের সেমিনার কক্ষে এএসবি‘র সহায়তা সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) আয়োজনে ‘ক্যাফে ডায়ালগ উইথ রিলেভেন্ট স্টেকহোল্ডারস টু প্রমোট গুড প্র্যাকটিসেস অব ইনক্লুসিভ ডিআরআর অ্যান্ড সিসিএ’ শীর্ষক এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) কোঅর্ডিনেটর সুরীর কুমার সাহা, ডক্যুমেন্টেশন অফিসার সুচনা আক্তার, ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের আঞ্চলিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। আয়োজনে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন (সিসিএ) কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুর্যোগপ্রবণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান ভালো উদ্যোগগুলো চিহ্নিত করে তা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা জরুরি। এ ধরনের সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনায় প্রতিফলিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বাগেরহাটের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে এ ধরনের অংশীজনভিত্তিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765