বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ বা‌গেরহা‌টে কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনু‌ষ্ঠিত বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত বাগেরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উপকারভোগীদের প্রশিক্ষন শুরু দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে – শেখ তন্ময় এমপি চিতলমারীতে বিক্ষোভকারীদের ইটের আঘাতে কৃষকলীগ নেতা আহত




স্লিপ ক্যাচিংয়ে কৌশল বদল

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯

উইকেটকিপার মুশফিকের পাশে সৌম্য সরকার। তার পাশে সাদমান ইসলাম। এরপর মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন কুমার দাস সারিবেঁধে দাঁড়ালেন। মাহমুদুল্লাহ ও ইমরুল কায়েস ছিলেন অপেক্ষমাণ। এই ক্রিকেটারদের নিয়েই রোবাবার হলো স্লিপ ফিল্ডিং অনুশীলন। একটা করে চক্র শেষ হয় আর ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক খেলোয়াড়দের কাছে ডেকে ভুলগুলো ধরিয়ে দেন। এভাবেই প্রায় ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চলে স্লিপ ফিল্ডিং প্র্যাকটিস।

যেখানে ফিল্ডারদের ক্ষিপ্রতা বাড়াতে নানা কৌশল ব্যবহার করেন ডমিঙ্গো। কখনও বলের দিক পরিবর্তন করে ফিল্ডারকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন। এর অর্থ হলো ফিল্ডিংয়ের সব শাখায় ক্রিকেটারদের অভ্যস্ত করে তোলার চেষ্টা করছেন জাতীয় দলের নতুন কোচিং স্টাফ। স্লিপ ফিল্ডিং নিয়ে খেলোয়াড়দের ভয় তাড়ানোরও কৌশল এটি।

ফিল্ডিংয়ের মধ্যে স্লিপ ফিল্ডিংটা একটু বেশি কঠিন। মনোযোগ ধরে রাখার ব্যাপার থাকে। যে কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অনেকেই স্লিপে দাঁড়াতে চান না। কখনও প্রয়োজন হলে মাহমুদুল্লাহ, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান মিরাজকে স্লিপ ফিল্ডিংয়ে দাঁড় করান অধিনায়ক। ডমিঙ্গো স্লিপ ফিল্ডার হিসেবে বেছে নিলেন স্কোয়াডের তরুণদের। সৌম্য, ইমরুল ছাড়াও সাদমান, আরিফুল, লিটনকে স্লিপে ফিল্ডিং প্র্যাকটিস করালেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ সামনে রেখে এই বিশেষ ফিল্ডিংয়ের পেছনে একটা বড় কারণ হতে পারে স্পোর্টিং উইকেট করা হতে পারে। যেখানে পেস বোলারদের স্লিপ ফিল্ডার নিয়ে বোলিং করতে হতে পারে। টিম ম্যানেজমেন্টের রোববারের মিটিংয়ে স্পোর্টিং উইকেটের একটা দাবিও রেখেছেন ডমিঙ্গো। বিসিবি পরিচালকরাও চান কোচের এই চাওয়া পূরণ করতে।

নতুন কোচ ডমিঙ্গোর কোচিং দর্শন হলো- দেশের পাশাপাশি বিদেশেও জয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা। এজন্য হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে সিরিজে একই নীতিতে খেলতে চায় বাংলাদেশ। তবে কোচের এই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়ন করা হবে, টেস্ট ম্যাচ শুরু না হলে বোঝার উপায় নেই। কারণ এদেশের কিউরেটররাও স্লো-লো এবং টার্নিং পিচ বানিয়ে অভ্যস্ত। এ ছাড়াও বাংলাদেশ দলে সে মানের পেস বোলারও নেই। মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন ও তাসকিন আহমেদের ওপরই ভরসা করতে হবে ডমিঙ্গোকে।

তবে প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান হওয়াতেই স্পোর্টিং উইকেট করার চিন্তা। রশিদ খানরা স্পিন বলের মতো পেস বলে অতটা স্বচ্ছন্দ না ব্যাটিংয়ে। এ ছাড়া টেস্টে নবাগত দল হওয়ায় পাঁচ দিন লড়াই করার প্র্যাকটিসটাও সেভাবে নেই আফগানদের। কৌশলগত এই দিকগুলো মাথায় রেখেই ট্রু উইকেট চান কোচ। এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্লিপ ফিল্ডিংয়ের চর্চা করে নেওয়া। এর মধ্য দিয়ে পেস বোলারদেরও প্রস্তুত থাকতে বার্তা দিচ্ছেন ডমিঙ্গো।

যদিও এক-দুই দিনের প্র্যাকটিসে স্লিপ ফিল্ডিংয়ে অভ্যস্ত হওয়ার নয়। ক্রিকেটারদের ভয় তাড়াতে হলেও সময় লাগবে। কারণ বাংলাদেশের ক্রিকেটে স্লিপ ফিল্ডার নিয়ে খেলার চর্চা একেবারেই নেই। এজন্য হঠাৎ করে স্লিপে ফিল্ডিং দেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেকে ভয়ে সেখানে দাঁড়াতে চান না। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএল, জাতীয় ক্রিকেট লিগ বা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের খেলাগুলো হয় ট্রেডিশনাল স্লো অ্যান্ড লো উইকেটে। বিদেশি দলের বিপক্ষে যে কোনো পর্যায়ের হোম সিরিজগুলোতেও থাকে বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের উইকেট। পারলে পেস বোলার ছাড়াই খেলতে নামে টাইগাররা।

যে এক দু’জন পেসার খেলেন, তারা স্লিপ ফিল্ডার নিয়ে বোলিং করার কথা চিন্তাও করেন না। এই কারণে স্লিপ ফিল্ডিংয়ের চর্চা বাংলাদেশের ক্রিকেটে নেই। দেশে ফাস্ট বোলার না থাকাটাও স্লিপ ফিল্ডার গড়ে না ওঠার কারণ হিসেবে দেখা হয়। ডমিঙ্গো এই প্রথা ভেঙে খেলোয়াড়দের সব ধরনের কন্ডিশনের জন্য গড়ে তুলতে চান। তাই তো স্লিপ ফিল্ডিংয়েও প্র্যাকটিস করে নেওয়া।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765