শনিবার, ১৪ মে ২০২২, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় রেখে কোন আলোচনা হতে পারে না – ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। বাগেরহাটে জেলা ওয়ার্কিং গ্রুপের সাথে স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাদের সভা ‘বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইউপি সদস্য’ ( ভিডিও) রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল রোজা বাগেরহাটে প্রতিবেশীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কলেজ ছাত্রী ও মা বাগেরহাটে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিএনপি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত – শেখ তন্ময় এমপি বাগেরহাটে জাতীয় পাট দিবস পালিত বাগেরহাটে জেলা ওয়াকিং কমিটির সাথে সাতক্ষীরা কমিটির অভিজ্ঞতা বিনিময় মোল্লাহাটে কৃষক দুলালের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন




প্রতারণার ফাঁদে পড়ে কিশোরীর আত্মহত্যা; সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে মামলা

বগুড়া প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

বগুড়ায় মায়িশা ফাহমিদা সেমন্তির (১৪) আত্মহত্যার ঘটনায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে ঢাকা সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। বুধবার সেমন্তির বাবা হাসানুল মাশরেক রুমন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫(১)ক/২৯(১)/৩১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। খবর বাংলানিউজের।

আসামি দু’জন হলেন বগুড়া জেলার সদর থানার জেল বাগান লেনের আবির আহমেদ (২০) ও একই এলাকার শাহারিয়ার অন্তু। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেমন্তির নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে ওই ছাত্রী আত্মহত্যায় বাধ্য হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বগুড়া অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী তার অভিযোগে জানান, গত ১৮ জুন রাতে আসামি আবির আহমেদ মোবাইল ফোনে হাসানুল মাশরেক রুমনকে জানায়, সেমন্তি আত্মহত্যা করতে পারেন। রুমন তাৎক্ষণিক মেয়েকে ডেকে জিজ্ঞেস করলে সেমন্তি জানায়, আবিরের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার জোরাজুরিতে সেমন্তি মোবাইলে কিছু নগ্ন ছবি তোলে। যা সেমন্তির মোবাইল থেকে আবির তার মোবাইলে নিয়ে নেয়। এর মধ্যে একটি ছবি শাহরিয়ার অন্তুর মোবাইল ফোনেও পাঠায় আবির। পরে দু’জন মিলে ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে সেমন্তিকে এবং পাশবিক লালসা চরিতার্থ করে। রুমন ঘটনাটি শুনে মেয়েকে সান্ত্বনা দিলেও ওইদিন রাতে সেমন্তি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

সে রাতে আবির ও অন্তু ৯১ বার মোবাইল ফোনে কথা বলে সেমন্তির সঙ্গে। যা প্রমাণ করে আসামিরা সেমন্তিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে আত্মহত্যায় বাধ্য করে। এছাড়া সেমন্তি মারা যাওয়ার পর আসামি আবির ২১ জুন রাতে মামলার দুই নম্বর সাক্ষী জান্নাতুল ফেরদৌসের কাছে মেসেঞ্জারে সেমন্তির নগ্ন ছবি পাঠিয়ে তার পরিবারকে মামলা না করার হুমকি দেয়।

মামলার বাদি রুমন জানান, প্রায় ১৫ মাস আগে তার ছোট মেয়ে অসুস্থ হয়। তখন প্রতিবেশী তৌহিদুল ইসলামের ছেলে আবির রক্ত দেয়। সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এরপর সেমন্তি ও আবিরের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আবিরের ফাঁদে পড়ে সেমন্তি।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765