শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর চাচী রাজিয়া নাসেরের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন বাংলাদেশ শপ ওনার্স এন্ড বিজনেসম্যান সোসাইটির সাথে বাগেরহাটের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় বাগেরহাটে সহিংসতার ও নির্যাতনের শিকার নারীর রেফারেল বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ‘অনলাইন প্লাটফর্মে জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ




দুদকের পরিচালক এনামুল বাছির গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯
ফাইল ছবি

ঘুষ লেনদেনের মামলায় ডিআইজি মিজানুর রহমানের পর এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে দুদকের একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করে।

গত ১৬ জুলাই দুদক ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। এরই মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেফতার হওয়া মিজানকে ঘুষ লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একই মামলায় গ্রেফতার হলেন দুদকের বহিস্কৃত ও বহুল আলোচিত কর্মকর্তা এনামুল বাছির।

দুদকের জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, ঘুষ লেনদেনের মামলায় এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে রাতে রমনা থানায় রাখা হয়। আজ মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

দুদক সূত্র জানায়, ডিআইজি মিজানের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় ফাঁস হওয়ার পর অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন এনামুল বাছির। তার বিরুদ্ধে মামলা হলে তিনি পুরোপুরি আত্মগোপনে চলে যান। এরপর তাকে গ্রেফতারের দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম রাজধানীর শাজাহানপুর ও আজিমপুরে তিন দফা অভিযান চালায়। ধারাবাহিক অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বাছিরের বিরুদ্ধে দায়ের মামলায় বলা হয়, ডিআইজি মিজান তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে অভিযোগটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। একপর্যায়ে তিনি তার অপরাধলব্ধ আয় থেকে বাছিরকে ঘুষ হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দেন। সম্প্রতি এ ঘুষ লেনদেনের ক্ষেত্রে মিজান-বাছিরের ফোনালাপের অডিও রেকর্ড একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়। পরে এটি ভাইরাল হয়। এর পরই কমিশন ওই ফোনালাপ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। অনুসন্ধান টিম ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারে (এনটিএমসি) তাদের ফোনালাপের রেকর্ডটি প্রযুক্তিগতভাবে পরীক্ষা করে। এতে সেই আলাপচারিতা তাদেরই কণ্ঠ বলে প্রমাণিত হয়। ফোনালাপে অভিযুক্ত মিজান দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন। আর দুদকের সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করে মিজানকে রেহাই দিয়ে অভিযোগটি নথিভুক্ত করতে চেয়েছিলেন বাছির। এর বিনিময়ে মিজানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন বাছির। পরে বাছির এ টাকার অবস্থান গোপন করেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765