বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ বা‌গেরহা‌টে কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনু‌ষ্ঠিত বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত বাগেরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উপকারভোগীদের প্রশিক্ষন শুরু দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে – শেখ তন্ময় এমপি চিতলমারীতে বিক্ষোভকারীদের ইটের আঘাতে কৃষকলীগ নেতা আহত




চিতলমারীতে ‘হোয়াইট স্পট ও রেড’ ভাইরাসের আক্রমনে সর্বশান্ত চিংড়ি চাষি

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯

বাগেরহাটের চিতলমারীতে হঠাৎ করে ঘেরের বাগদা চিংড়ি মারা যাওয়ায় চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মাছ মরার কারণ হিসেবে তারা ‘হোয়াইট স্পট ও রেড’ ভাইরাসকে দায়ী করছেন। এই ভাইরাসের আক্রমনে ঋনগ্রস্থ কয়েক হাজার চাষি সর্বশান্ত হতে চলেছেন। সোমবার দুপুরে উদ্বেগের সাথে এমনটাই জানিয়েছেন খিলিগাতী-ডুমুরিয়া গ্রামের মৎস্য চাষিরা। অথচ এ সংত্রান্ত কোন খবর জানেন না চিতলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

চিতলমারী মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় মোট চিংড়ি ঘেরের সংখ্যা ১৬ হাজার ৭১০ টি। যার মোট আয়তন ১৬ হাজার ৮৩৩ একর। এরমধ্যে ১৩ হাজার ৭৫৮ টি ঘেরে গলদা ও ২ হাজার ৯৫২ টি ঘেরে বাগদা চিংড়ির চাষ হয়। এখানের চাষিরা বছরে ৫৮১ মেট্রিকটন বাগদা ও ২ হাজার ৬৫০ মেট্রিকটন গলদা চিংড়ি এবং বিপুল পরিমান সাদা মাছ উৎপাদন করে থাকেন। এখানে ৭ হাজার ৫০০ জন মৎস্য চাষি ও ২ হাজার ৭০২ জন মৎস্যজীবি রয়েছেন। সেই সাথে এই চিংড়ি শিল্প ও মাছ চাষের সাথে এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের ভাগ্য জড়িত রয়েছে।

এ বছরের শুরুতে ঋণগ্রস্থ চাষিরা বাগদা চিংড়ির উৎপাদন দেখে অনেকটা আশায় বুক বেধে ছিলেন। মাছ বিক্রি করে তাদের ধারদেনা মিটবে। কিন্তু হঠাৎ করে ঘেরের উৎপাদিত বাগদা চিংড়ি মারা যাওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের বিকাশ বাড়ই, বিধান মন্ডল, লিটন বাছাড়, বিমল মন্ডল, শ্রীরামপুরের জাকির মোল্লা, তারাপদ ব্র², পারডুমুরিয়ার নেয়ামুল শেখ, উত্তম বাড়ই, রাসেল শেখ ও ঝালডাঙ্গার পিনাক ভক্তসহ অনেক চিংড়ি চাষি জানান, এ বছর তারা দেনায় দেনায় জর্জারিত হয়েও বড় আশা নিয়ে চিংড়ি মাছের চাষ শুরু করেছিলেন। মাছের উৎপাদনও ভাল হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে হোয়াইট স্পট ও রেড ভাইরাসে ঘেরের বাগদা চিংড়ি মরে যাওয়ায় তারা সর্বশান্ত হয়ে গেছেন। এ ঘটনার পরও তারা স্থানীয় মৎস্য অফিসের কোন পরামর্শ বা সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ তুলেছেন।

এ ব্যাপারে চিতলমারী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, চিংড়ি মাছের হোয়াইট স্পট ও রেড ভাইরাস সম্পর্কে তার কাছে কোন তথ্য বা খবর নেই। তবে স্টক ও অক্সিজেন ফেলসহ নানা কারণে মাছ মরতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765