বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
১৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক মোবাইল চলচ্চিত্র উৎসবে রনি তানভীরের ‘হ্যালো মা’ অর্ণবের মৃত্যু নিয়ে তিন মাসেও ধোঁয়াশা কাটেনি : নেপথ্যে সম্পত্তির দ্বন্দ্ব বলছে পরিবার বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন নিয়ে ক্যাফে ডায়ালগ বাগেরহাটে চোরাই ৮টি ইজিবাইক ও ১২টি শ্যালোমেশিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ ইমাম বুখারীর মাজার ও ইথিওপিয়া সফরে মাওলানা এমএ করিম বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন বাজেটকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিলেন মাওলানা এম.এ. করিম ইবনে মছব্বির তৃতীয় ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা




মন্দিরে পশু বলি বন্ধের আদেশ ত্রিপুরা হাইকোর্টের

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভারতের ত্রিপুরায় ধর্মের নামে মন্দিরে পশুবলির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আদেশ দিয়েছেন, রাজ্যের কোনও মন্দিরে আর বলি দেওয়া যাবে না। এমনকি খোদ রাজ্য সরকার চাইলেও বলি দিতে পারবে না। খবর জিনিউজের

প্রধান বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন।

রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছেন, পশুপাখিদেরও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার আছে। ত্রিপুরার কোনও মন্দিরের ত্রিসীমানায় আর পশুবলি দেওয়া যাবে না। পশুবলির অনুমতি দিতে পারবে না রাজ্য সরকার। এমনকী, সরকার নিজস্ব উদ্যোগেও আর বলি দিতে পারবে না।

এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের উচ্চ আদালত।

ত্রিপুরার বেশ কিছু মন্দিরে অসংখ্য পশুবলি হয় এবং অধিকাংশ বলির খরচ সরকার নিজেই জোগায়। সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এছাড়াও রাজ্যের ত্রিপুরেশ্বরী এবং চতুরদাস দেবতা মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যসচিবকে প্রতি মাসের রেকর্ডিংয়ের তথ্য সংগ্রহ করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ত্রিপুরা হাইকোর্ট এই রায় দিয়েছেন এক জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতে। মামলাটি করেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত জেলা দায়রা জজ সুভাষ ভট্টাচার্য। তিনদিন ধরে সেই মামলার শুনানি চলে ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যের পক্ষে বলি বন্ধের বিরোধিতা করা হয়। রাজ্য সরকারের আইনজীবী যুক্তি দেন, শতশত বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে।

এ সময় সুভাষ ভট্টাচার্যা পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘বেদ বা উপনিষদে কোথাও লেখা নেই, বলি না হলে হিন্দু ধর্ম পালনে ক্ষতি হবে।’ পরে সুভাষের যুক্তি মেনে নেন আদালত।

সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765