শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক




প্রতি বছর সে দেশে আকাশ থেকে ঝরে পড়ে লাখ লাখ মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সে দেশে আকাশ থেকে লাখ লাখ মাছ ঝরে পড়ে বৃষ্টির মতো। রাস্তা-ঘাটে, বাড়ির সামনে, ছাদে পড়ে থাকে লাখ লাখ মাছ! জানা গেছে, প্রতি বছরই এ ধরনের ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকেন মধ্য আমেরিকার হন্ডুরাসের বাসিন্দারা।

প্রতি বছরের মে মাস থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এ ধরনের ‘মাছ বৃষ্টি’ হন্ডুরাসের বিভিন্ন জায়গায় হয়ে থাকে। স্থানীয়রা ওই ঘটনাকে বলেন ‘জুভিয়া দে পেতেস’। স্প্যানিশ এই শব্দের অর্থ হলো ‘মাছের বৃষ্টি’।

আকাশ থেকে ঝরে পড়তে থাকে মাছ, ব্যাঙসহ নানা জলজ প্রাণী। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই সময় রীতিমতো লোক নামিয়ে রাস্তাঘাট পরিষ্কার করাতে হয়।

ওই অঞ্চলের বহু মানুষের বিশ্বাস, এক দেবতার আশীর্বাদে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে খ্রিস্টান যাজক হোসে সুবিরানা হন্ডুরাসে যান। ওই সময় হন্ডুরাসের বেশিরভাগ মানুষ অত্যন্ত অনটন আর দারিদ্রের মধ্যে দিন কাটাতেন। তাদের দুর্দশা দূর করার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন তিনি।

হোসে সুবিরানার প্রার্থণার পর থেকেই দারিদ্রের কষ্ট দূর করতে সৃষ্টিকর্তা আকাশ থেকে ‘মাছের বৃষ্টি’ দেন বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন ওই অঞ্চলের মানুষজন।

১৯৭০ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ দল পাঠানো হয় হন্ডুরাসে। ওই দলের সদস্যরা ‘মাছের বৃষ্টি’র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের ওই সদস্যরা জানান, ওই অঞ্চলে আকাশ থেকে যে সব মাছের বৃষ্টি হয়, তা কোনো সমুদ্রিক মাছ নয়। সেগুলো মিষ্টি পানির মাছ।

আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়া মাছগুলো কোনো নদী, পুকুর বা হ্রদের মতো মিষ্টি পানির জলাশয়ের মাছ। শুধু তাই নয় বেশির ভাগ মাছই প্রায় একই প্রজাতির। যদিও ১৯৭০ সালে হন্ডুরাসে ‘মাছের বৃষ্টি’র সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সদস্যদল পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল কর্তৃপক্ষ।

যে এলাকায় প্রতি বছর একবার বা দুইবার মাছের বৃষ্টি হয়, আটলান্টিক মহাসাগর তার থেকে প্রায় দু’শ কিলোমিটার দূরে। অনেকে মনে করেন, টর্নেডো বা সামুদ্রিক ঝড় আটলান্টিক মহাসাগরের বিভিন্ন অংশের মাছ উড়িয়ে এনে এই অঞ্চলে ফেলে। কিন্তু এমন ঘটনা প্রতি বছর কীভাবে সম্ভব, সে ব্যাপারে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765