শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক




যশোরে পুলিশ ও সোর্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

যশোরে দুই সন্তানের এক জননী পুলিশ ও সোর্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। ধর্ষণের পরীক্ষা করানোর জন্য তিনি আজ মঙ্গলবার যশোর জেনারেল হাসপাতালে এলে ঘটনা প্রকাশ পায়। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শার্শা উপজেলার লক্ষ্মণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণে অভিযুক্ত ঐ পুলিশ সদস্য হলেন শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই খায়রুল ও তার সোর্স কামারুল।

হাসপাতালে ওই গৃহবধূ মঙ্গলবার দুপুরে বলেন, আগে আমার স্বামী চোরাচালানিদের পণ্য বহন করতো। কিন্তু এখন কৃষি কাজ করে। নয়দিন আগে খায়রুল তার স্বামীকে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাকে ফেনসিডিল দিয়ে চালান করা হয়। মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে এসআই খায়রুল, সোর্স কামারুল এবং গ্রামের লতিফ ও কাদের নামে চারজন এসে আমাকে ডাকাডাকি শুরু করে। আমি দরজা খুলতে না চাইলে তারা বলেন- স্বামীর মামলার ব্যাপারে কথা আছে। তখন আমি দরজা খুলি। দারোগা খায়রুল আমাকে বলে ৫০ হাজার টাকা দিলে আমার স্বামীর মামলা হালকা করে দেবে। সে সময় আমি বলি বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে ফেনসিডিল দিয়ে চালান দিয়েছেন। এখন বলছেন টাকা দিলে হালকা হয়ে যাবে। এ নিয়ে তার সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। তখন খায়রুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর ঘরের ভিতর নিয়ে খায়রুল ও কামারুল আমাকে ধর্ষণ করে চলে যায়। তারা চলে গেলে এ ঘটনা এলাকাবাসীকে জানালে তারা আমাকে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. আরিফ আহম্মেদ জানান, সকালে ওই নারী জরুরি বিভাগে আসেন। জরুরি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে ঐ নারী ধর্ষিত হয়েছেন। এ ধরনের পরীক্ষা আমরা পুলিশের মাধ্যমে না আসলে করতে পারি না। তখন আমি পুলিশকে জানাই। পরে কোতয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামান তাকে পুলিশ সুপারের কাছে নিয়ে গেছেন।

পুলিশ সুপার মঈনুল হক জানান, অভিযোগ গুরুতর। মহিলাকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে কয়েকজন সিনিয়র অফিসারকে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা প্রমাণিত হলে পুলিশ হোক আর যেই হোক কোনো ছাড় পাবে না।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765