শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক




জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রধান গ্রেফতার

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রধান ইজাজ আহমেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে বিহারের গয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। খবর জিনিউজের

পুলিশ জানায়, জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ বা জেএমবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলতেন ইজাজ। বস্তুত ইজাজই ভারতে এই জঙ্গি সংগঠনের ‘আমির’। তার বাড়ি বীরভূমের পাড়ুইয়ের অবিনাশপুরে।

জানা গেছে, বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত কাওসার ওরফে বোমা মিজান গত বছর বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হওয়ার পরে ভারতে জেএমবির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন ইজাজ। তিনি জেএমবির আল-কায়দা ঘনিষ্ঠ শাখার প্রধান বড়ভাই ওরফে সালাউদ্দিন ও কাওসারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। তার কাছ থেকে ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, চিঠিসহ জঙ্গি কার্যকলাপের নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সোমবার তাকে গয়ার আদালতে হাজির করানো হয়। পরে বিচারক এক দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে কলকাতায় আনার নির্দেশ দেন।

এসটিএফ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন বাঙালিপ্রধান এলাকায় বেআইনি মাদ্রাসা থেকে জেএমবির জন্য লোক নিয়োগ করা এবং জঙ্গি ঘাঁটি তৈরির দায়িত্ব ছিল ইজাজের ওপরে। এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের পরে জঙ্গি তৎপরতা কিছুটা থমকে যায়। বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্তদের ধরপাকড় শুরু হতেই ইজাজ গাঢাকা দেন। বাঙালি শ্রমিকদের ভিড়ে মিশে তিনি বেশ কয়েক মাস বেঙ্গালুরু এবং কেরালায় লুকিয়ে ছিলেন। এক বছর ধরে গয়ায় ঘুরে ঘুরে বাচ্চাদের জামাকাপড় বিক্রি করতেন ইজাজ।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এজাজ জানিয়েছেন, খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের পরে তার প্রধান কাজ ছিল সংগঠনের জন্য কর্মী নিয়োগ করা। বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে (ধুলিয়ান) জেএমবি মডিউল তৈরিতে তার ভূমিকা ছিল।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765