রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা




ফিরতে অনাগ্রহ, এখনও শুরু হয়নি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

টেকনাফ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

বাংলাদেশের পক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের কারণে তাদের মিয়ানমারে পাঠানো শুরু হয়নি এখনও।

বৃহস্পতিবার টেকনাফে থাকা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো শুরু হওয়ার কথা ছিল; সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। তবে সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গারা বলেছেন- তারা দেশে ফেরত যাবেন না।

দুপুর পর্যন্ত ২৯০ রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাড়ে ১২টার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম জানান, সাক্ষাৎকার দেওয়া রোহিঙ্গাদের কেউই মিয়ানমারে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।

টেকনাফের শালবাগান ক্যাম্পে এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ২২ আগস্ট রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানো শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৩ হাজার ৫৪০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। এর মধ্যে ২৯০ জনের সাক্ষাৎকার সম্পন্ন হয়। তারা প্রত্যেকেই বলেছেন- মিয়ানমারে ফেরত যাবেন না।

তিনি বলেন, সাক্ষাৎকার চলমান থাকবে। এখন পর্যন্ত একজনও রাজি হয়নি। ফলে কাউকে নেওয়া যাচ্ছে না।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যর্থ কিনা জানতে চাইলে আবুল কালাম বলেন, ‘এটা ব্যর্থ বলতে পারেন না। সব পরিবারের সাক্ষাৎকার চলবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আমাদের বাস-ট্রাকও রেডি থাকবে। কেউ যেতে চাইলে পাঠানো হবে।’

মিয়ানমারে ফিরতে যেসব শর্ত দিয়েছেন রোহিঙ্গারা সেসব শর্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এগুলো মিয়ানমার এবং রোহিঙ্গাদের ব্যাপার। আমরা শুধু সীমান্ত পার করে দেব’।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছিল। রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় তখনন কাউকেই রাখাইনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765