রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান বাগেরহাটে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ বাগেরহাটে তিন মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেন শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার




মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে নিহত ১৯

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে গত সপ্তাহে জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। ওই অঞ্চল থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

বুধবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্সের।

পালিয়ে যাওয়া লোকজন উত্তরের রাজ্য শান স্টেটের লাশিও শহরের বিভিন্ন মঠে আশ্রয় নিয়েছে। তারা বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা এবং সরকারের দেওয়া ত্রাণের উপর বেঁচে আছে বলে জানান উদ্ধারকর্মীরা।

শান স্টেটের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক সোয়ে নাইং বলেন, “আমরা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিচ্ছি। তাদের কিছু নগদ অর্থও দেওয়া হয়েছে।

যতদিন লোকজন আশ্রয় শিবিরে থাকবে ততদিন ‍তাদের ত্রাণ সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।

সংঘর্ষ শুরু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার থেকে। স্থানীয় তিনটি সরকারবিরোধী বিদ্রোহী সংগঠনের জোট ‘নর্দান অ্যালায়েন্স’ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি অভিজাত কলেজসহ আরো কয়েকটি স্থানে হামলা চালিয়ে এক ডজনের বেশি মানুষকে হত্যা করে। নিহতদের বেশিরভাগই নিরাপত্তারক্ষী।

ওই হামলার পর সেনাবাহিনী পাল্টা অভিযান শুরু করলে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা শুরু হয়।

২০১৬ সালে নির্বাচনে বড় জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসেন অং সান সু চি। সেসময় তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আদিবাসী সংখ্যালঘু গেরিলা দল, সেনাবাহিনী ও বেসামরিক সরকারের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

কিন্তু বাস্তবে সু চি সরকার ওই প্রতিশ্রুতি পূরণের কোনো উদ্যোগই নেয়নি। বরং উত্তরের দুই রাজ্য কোচিন স্টেট এবং শান স্টেটে সংঘাত দিন দিন বাড়ছে।

অন্যদিকে, সন্ত্রাস দমনের নামে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ‍উপর সেনাবাহিনী ‘জাতিগত নিধন’ চালিয়েছে। এর কারণে বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765