সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান বাগেরহাটে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির যোগসাজশে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ বাগেরহাটে তিন মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেন শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার




ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯
সূষমা স্বরাজ

ভারতের সা‌বেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সবার প্রিয় নেত্রী সুষমা স্বরাজ মারা গেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। সঙ্কটজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বুকে ব্যথা নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ইতোমধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন ও নীতিন গদকড়ি। এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটে লড়েননি তিনি। নিজেই জানিয়েছিলেন সেই ইচ্ছার কথা।

তবে, গত পাঁচ বছরে স্বরাজের সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসা পেয়েছে বিভিন্ন মহলে। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তান বিরোধী কড়া বার্তা মনে রাখার মতো। যখনই কোনো ভারতীয় বিশ্বের কোনো প্রান্তে বিপদে পড়েছেন, তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সুষমা। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে আটকে থাকা মুক ও বধির ভারতীয় মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন সুষমা।

১৯৭০-এর দশকে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হাত ধরে রাজনৈতিক জীবন শুরু সুষমার। স্বামী স্বরাজ কৌশাল ছিলেন সমাজতান্ত্রিক নেতা জর্জ ফারনান্দেজের খুব কাছের মানুষ। ১৯৭৫ সালে জর্জ ফারনান্দেজের আইনি প্রতিরক্ষা দলের একটি অংশ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন সুষমা। জয় প্রকাশ নারায়নের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।

জরুরি অবস্থার পর, তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত হরিয়ানা বিধানসভার সদস্য ছিলেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে আম্বালা সেনানিবাস বিধানসভা আসন অর্জন করেন। ১৯৭৭ এর জুলাইয়ে জনতা পার্টি সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765