বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মেহেদী হাসান প্রিন্সের পক্ষ থেকে কম্পিউটার প্রদান




ঘরোয়া ক্রিকেটারদের কার বেতন কত?

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বেশিরভাগ দাবি-দাওয়া মেনে নেয়ায় ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন ক্রিকেটাররা। শুক্রবার ভারত সফরের জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন সাকিব-তামিমরা। শনিবার পুনরায় শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)।

এর আগে গেল সোমবার ১১ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন ক্রিকেটাররা। দাবিগুলোর অন্যতম ছিল ঘরোয়া ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বাড়ানো। ইতিমধ্যে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের কার বেতন কত- আপনারা জেনে গেছেন। স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল জাগতে পারে- ঘরোয়া ক্রিকেটারদের বেতন কত? সেটি কি আদৌ যুক্তিযুক্ত? এর উত্তর অনুসন্ধানে সামান্য প্রয়াস চালানো হলো-

দেশে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট হয় দুটি। একটি জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এবং আরেকটি বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)। এনসিএলে প্রতি ম্যাচে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা পারিশ্রমিক পান ৩৫ হাজার টাকা। আর অনভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা পান ২৫ হাজার টাকা। সেটি বাড়িয়ে যথাক্রমে ৪০ ও ৩০ হাজার করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। বিসিএলে একটি ম্যাচে অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পান ৪০ হাজার টাকা। চাউর হয়েছে, সেটি বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হবে।

এনসিএলে সব ম্যাচে একাদশে থাকলেও একজন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ খেলতে পারেন ৬ ম্যাচ। বিসিএলে সর্বোচ্চ ৬ ম্যাচ, কখনও ৩ ম্যাচ। স্বভাবতই সব ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারের আয়ও যথেষ্ট নয়।

অধিকন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটের শীর্ষ ক্রিকেটাররা বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পান। বেশিরভাগ তরুণ বা উঠতি ক্রিকেটারের সেভাবে ম্যাচ খেলার সুযোগ হয় না। কারণ এখানেও জয়টা মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। এর মধ্য থেকে যে আয় করেন, তা থেকে আবার ২০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হয় তাদের।

দেশের প্রথম ও প্রধান টুর্নামেন্টে চার দিনের ম্যাচে এ পারিশ্রমিক যথেষ্ট অপ্রতুল বলে মনে করেন ক্রিকেটাররা। তাদের দাবি, ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ১ লাখ টাকা করা হোক।

২০১২ সালে বিসিবিপ্রধান ছিলেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রথমবারের মতো দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের চুক্তির আওতায় আনেন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তিনটি গ্রেডে ক্রিকেটারদের চুক্তিতে রাখা হয়। ‘এ’ গ্রেডের মাসিক বেতন করা হয় ২৫ হাজার টাকা, ‘বি’ গ্রেডে ২০ হাজার টাকা এবং ‘সি’ গ্রেডে ১৫ হাজার টাকা।

শুরুতে ঘরোয়া ক্রিকেটে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার ছিলেন ১০৫ জন। নাজমুল হাসানের নেতৃত্বাধীন বোর্ড সেই সংখ্যা নামিয়ে এনেছে ৭৯ জনে। এ লম্বা সময়ে পারিশ্রমিক বেড়েছে নামমাত্র। ‘এ’ গ্রেডের ক্রিকেটাররা এখন পান ২৮ হাজার ৭৫০ টাকা, ‘বি’ গ্রেডে ২৩ হাজার টাকা ও ‘সি’ গ্রেডে ১৭ হাজার ২৫০ টাকা।

সর্বসাকল্যে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে ক্রিকেটারদের আয় এটি। তাদের আয়ের অবশ্য আরও দুটি খাত আছে। তবে সেটিও যৎসামান্য। জাতীয় ক্রিকেট লিগে ক্রিকেটারদের দৈনিক ভাতা ১৫০০ টাকা। আর ভ্রমণ ভাতা ২ হাজার ৫০০ টাকা।

সর্বোপরি বাইরে থেকে দেখলে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের লাইফ যতটা চাকচিক্য মনে হয়, আসলে সেটি নয়। তাদেরও নুন আনতে পানতা ফুরায়। অথচ চাইলেই খেলোয়াড়দের দিকে নজর দিতে পারে বিসিবি। এতে তাদের রুটি-রুজি যেমন হবে, তেমন দেশের ক্রিকেটেরও উন্নয়ন হবে। ব্যত্যয় ঘটলে তরুণরা ক্রিকেটমুখী হবে না।

আর্থিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সেই সামর্থ্য আছে। বিসিবি বিশ্বের পঞ্চম ধনী বোর্ড। চাইলেই ক্রিকেটারদের বেতন-পারিশ্রমিক বাড়াতে পারে। আয়ে তাদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা বোর্ডগুলোও তুলনামূলক খেলোয়াড়দের ভালো বেতন দেয়। জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররাও দেশের খেলোয়াড়দের চেয়ে বেশি বেতন পান।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765