শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মেহেদী হাসান প্রিন্সের পক্ষ থেকে কম্পিউটার প্রদান




পদ্মাসেতুর ১৫তম স্প্যান বসায় দৃশ্যমান হলো প্রায় আড়াই কিলোমিটার

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

 

দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মাসেতুর ১৫তম স্প্যান জাজিরা প্রান্তে ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলারের উপর মঙ্গলবার বসানো হয়েছে। স্পেনটির বসানোর মাধ্যমে পদ্মাসেতুর দৃশ্যমান হলো ২২৫০ মিটার । সেতু বিভাগের প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর এ খবর নিশ্চিত করেছেন। ইতোমধ্যে সেতুর প্রায় প্রায় ৮৪ দশমিক ৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবারবার সকালে মাওয়ার মুন্সিগঞ্জের কুমারভোগের বিষেশায়িত জেডি থেকে ১৫তম স্প্যান নিয়ে শক্তিশালী ভাসমান ক্রেন তিয়া নি হাউ জাজিরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সোমবার বিকেলে স্প্যানটি নিয়ে জাজিরা নাওডোবা এলাকায় পৌছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পিলারের উপর তোলা হয়। এ স্প্যানটি বসানোর পর পদ্মাসেতুর দৃশ্যমান হলো ২২৫০মিটার। ১৫ অক্টোবর স্পেনটি নিয়ে শক্তিশালী ক্রেন তিয়ানি হাউ জাজিরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। নদীতে পলি পড়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলার কারনে সময়মত স্পেনটি জাজিরা পৌছিতে দেরী হয়। নদী ড্রেজিং করে এরপর স্পেনটি জাজিরা প্রান্তে পৌছে। ১৫তম স্পেনটি বসানোর মধ্যদিয়ে পদ্মাসেতুর কাজ আর একধাপ এগিয়ে যায়। ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেতুর ১ম স্প্যান এবং ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারী দ্বিতীয় স্প্যান বসানো হয়। প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের উপর ৪১টি স্পেন বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মাসেতু নিমার্ন করা হবে। ইতোমধ্যে সবক’টি পিলার দৃশ্যমান হয়েছে। ১৫নং স্পেনটি বসানোর সংবাদে পদ্মা পাড়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হলে দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে গোটা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। দেশের অর্থনৈতিতে নুতন মাত্রা যোগ হবে। পদ্মাসেতুর দু’পাড়ে গড়ে উঠবে বিশ্বমানের শহর। কল কারখানায় ভরে উঠবে এ এলাকা। শ্রমজীবি মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সর্বক্ষেত্রে ব্যবসা বানিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে বলে আশা করছে পদ্মা পাড়ের মানুষ। দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলা প্রায় ৭ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পুরন হতে যাচ্ছে এ সেতু নির্মানের মধ্য দিয়ে।

মঙ্গলমাঝির ঘাটের ইজারাদার মোকলেছ মাদবর বলেন,আমরা জমিজমা দিয়ে ও শা›িত পেয়েছি।ধীরে ধীরে পদ্মাসেত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। ১৫তম স্পেন বসছে দেখে খুশী হলাম। আশা করি পদ্মাসেতু ২০২১ সালের মধ্যে যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে।

সেতু বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেন, মঙ্গলবার পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যানটি বসানো হলো। ইতোমধ্যে সেতুর প্রায় ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে সবক’টি স্প্যান বসিয়ে সেতুটি দৃশ্যমান করে তুলবো বলে আশা করছি।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765