শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক




বাংলাদেশের উপকূলে যে রেডার ব্যবস্থা বসাতে চায় ভারত

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৯

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গতকাল যে সাতটি সমঝোতা স্মারক হস্তান্তরিত হয়েছে তার অন্যতম হল যৌথভাবে একটি ‘কোস্টাল সার্ভেল্যান্স’ বা উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা।

যদিও দু’দেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই এখনও জানানো হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে এই সমঝোতা অনুযায়ী বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারত একটি আধুনিক রেডর সিস্টেম বসাতে সাহায্য করবে।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে ‘মেরিটাইম সিকিওরিটি’ বা সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এই পদক্ষেপ কার্যকর হবে বলে বলা হচ্ছে।

শনিবার দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে দু’দেশের মধ্যে যে মোট সাতটি সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর হয়েছে তার মধ্যে সপ্তম তথা শেষটি ছিল এই কোস্টাল সার্ভেল্যান্স সংক্রান্ত।

এই দলিলটির শিরোনাম ছিল বাংলাদেশকে ‘একটি উপকূলীয় নজরদারি সিস্টেম প্রদানের জন্য এমওইউ’ বা সমঝোতাপত্র।

রেডার ব্যবস্থার কাজ কী হবে?

সমুদ্রপথে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হলে – যেমনটা এক দশক আগে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইতে হয়েছিল – তার আগাম খবর পেয়ে যাওয়া সম্ভব এই ধরনের সিস্টেমের সাহায্যে।

নরেন্দ্র মোদী ও শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশের তরফে দলিলটি ভারতকে হস্তান্তর করেন সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামালউদ্দিন।

আর ভারতের তরফে তাদের দলিলটি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি দাস।

তবে সেই অনুষ্ঠানের পর ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় কেটে গেছে, কিন্তু সেই দলিলে ঠিক কী আছে তার বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত বা বাংলাদেশ কেউই প্রকাশ করেনি।

ভারতের সরকারি সূত্রগুলো শুধু এটুকুই বলছে – বঙ্গোপসাগরীয় উপকূলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি হবে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।-বিবিসি বাংলা

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765