শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




হাসপাতালে প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর ঘটনায় প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৩

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯

ময়মনসিংহের ফুলপুর হাসপাতালে বুধবার রাত ১১টার দিকে সাবিনা ইয়াসমিন (১৭) নামে এক প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর ঘটনায় কথিত প্রেমিক কামরুল ইসলামসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনের  নির্দেশনায় ওসি ইমারত হোসেন গাজীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধীতপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত অন্য আসামিরা হলেন কামরুলের বাবা আব্দুল বারেক (৫৫) ও তার মা ফিরোজা খাতুন (৪৮)। ফিরোজাকে বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার কুমুরিয়া (বস্তিপাড়া) গ্রামের লিয়াকত আলী খাঁর মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন গাজীপুর কোণাপাড়া রোডে একটি গার্মেন্টসে কাজ করতো। সে সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। সেই সূত্রে মঙ্গলবার প্রেমিকা সাবিনাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফোন করে প্রেমিক কামরুল তার নিজ বাড়ি ফুলপুরের ধীতপুর গ্রামে নিয়ে আসে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে সাবিনা রহস্যজনক কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে বুধবার সকালে প্রথমে ফুলপুরে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দিয়ে নিয়ে যায়। পরে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় আবার সাবিনাকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সংবাদ শুনে মা ফিরোজা খাতুনকে রেখে প্রেমিক কামরুল ও অন্যরা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ এনে প্রেমিক কামরুল ইসলাম, তার পিতা আব্দুল বারেক, মা ফিরোজা খাতুন ও ভগ্নিপতি হায়াতুল্লাহসহ অজ্ঞাত নামা আসামি দিয়ে সাবিনার পিতা লিয়াকত আলী খাঁ বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। পুলিশ প্রেমিকের মা ফিরোজা খাতুনকে গ্রেফতার করলেও প্রেমিক কামরুলসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765