শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ বাগেরহাটের ফকিরহাটে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ জাকির হোসেন “অপরাধী যেই হোক, তার কোনো ছাড় নয়”— বাগেরহাটের নবাগত পুলিশ সুপার খাল দখলমুক্তকরণ ও মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা পাচ্ছেন না এমপি শরণখোলায় মাসুম হত্যা মামলার বাদী-সাক্ষীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন এমপিও ও অনুদানের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন শরণখোলায় জমিজমা বিরোধে বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২, সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার মৌলভীবাজারে বাড়ছে হাওরের পানি, নতুন করে ডুবছে ধান




বাগেরহাটে আদালতের রায়ের পরও প্রভাবশালীদের কারনে জমিতে যেতে পারছেনা একটি পরিবার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বাগেরহাটে আদালতের রায়ের পরও স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারনে জবরদখলকারীদের কাছ থেকে জমি বুঝে পাচ্ছে না একটি পরিবার। অসহায় ওই পরিবারটি সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আহুত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ফকিরহাট উপজেলার ছোট বাহিরদিয়া গ্রামের আ: জব্বার সেখের স্ত্রী হেনা বেগম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ‘বাহিরদিয়া মৌজায় আমরা বিভিন্ন দলিলে ১ একর ৮২ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছিলাম। ওই জমির বিক্রেতাদের ওয়ারেশ হিসেবে পরিচয় দানকারী আলম খান ও তার বাহিনী স্থানীয় ‘পাগল সমিতি’ নামে একটি সমিতির সহায়তায় ২০১১ সালের ৫ ডিসেম্বর আমাদের ভোগ দখলীয় জমি জবর দখল করে। এসময় তারা ১০/১২ লক্ষ টাকার গাছপালা ও পুকুরের মাছ লুটে নিয়ে যায়। এতে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেন বাহিরদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও ইউপি সদস্য লেয়াকাত আলী। জমি জবর দখলের সাথে সাথেই বিভিন্ন লোকের কাছে আলম খান ওই জমি বিক্রি শুরু করেন। আমরা নিরুপায় হয়ে ২০১২ সালে বাগেরহাট আদালতে মামলা দায়ের করি। ২০১৮ সালে ২০ আগস্ট ওই মামলায় আমরা ডিগ্রি প্রাপ্ত হই। সার্ভে কমিশন আমাদের জমি বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারনে আমরা জমিতে যেতে পারিনি।’

তিনি জানান, ‘সর্বশেষ গত ৩/৪ মাস আগে আমরা ওই জমিতে বেড়া দিতে গেলে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমাদের পরিবারের ৩/৪ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এই বিষয়ে মামলা হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীরা থানা পুলিশের উপর প্রভাব বিস্তার করে। নেই আমাদের শক্তি, নেই আমাদের টাকা। আমরা এখন নিরুপায়।’

তিনি প্রশাসনের উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে হেনা বেগমের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765