শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ




প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অনশন, পলাতক প্রেমিক

পাবনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

পাবনার সাঁথিয়ায় স্ত্রীর দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক কলেজছাত্রী।

সাঁথিয়া পৌরসভাধীন দক্ষিণ বোয়ালমারী গ্রামের মৃত অধ্যাপক আকমলের বাড়িতে অনশনে বসেন ওই ছাত্রী।

এদিকে ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন প্রেমিক রনি।

ঢাকা উইমেন্স কলেজের অনার্সের ওই ছাত্রীর অভিযোগ, প্রায় ১ বছর ধরে রনির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এর মধ্যে গত ৪ জুলাই মাওলানা শহিদুল ইসলাম নামে এক স্থানীয় হুজুর রনির সঙ্গে তার বিয়ে পড়ায়। ঐ সময় তাদের কোনো বিয়ে রেজিষ্ট্রি না হলেও তখন থেকে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে মেলামেশা করতে থাকে। এদিকে রনির অভিভাবকরা এ বিয়ে না মেনে রনিকে ঐ মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করতে বলেন। পরে রনি মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। অবশেষে মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রেমিক রনির বাড়িতে স্ত্রীর দাবিতে অনশন করছেন ওই ছাত্রী।

ওই ছাত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘হয় আমাকে স্ত্রীর অধিকার দিতে হবে, নয়তো আমি এখানেই আত্মহত্যা করবো।’ এদিকে ঘটনার আগে থেকেই প্রেমিক রনি পলাতক রয়েছেন এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে মাওলানা শহিদুল ইসলামকে মোবাইলে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিয়ের পড়ানোর কথা স্বীকার করে সমকালকে বলেন, ‘ছেলের অনুরোধে পরে রেজিষ্ট্রি (কাবিন) করার শর্তে আমি তাদের বিয়ে পড়াই।’

এ ব্যাপারে রনির মা আসমা খাতুন বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে দেখি কী করা যায়। এর আগে আমি কিছু বলতে পারব না।’

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765