শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ




পাঁচশো বছরের ঐতিহ্যবাহী মায়েদের বাজার

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯

বজি, মাছ , রান্নার জিনিসপত্র, তাজা ফলমূল, পোশাক থেকে শুরু করে অন্যান্য বাজারের মতো দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সব কিছুই পাওয়া যায় মনিপুরের ‘ইমা কেইথল’ বাজারে। তবে এই বাজারের আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য আছে। এখানকার ৪ হাজার ব্যবসায়ীদের সবাই নারী। স্থানীয়ভাবে ‘ইমা কেইথল’ অর্থ মায়েদের বাজার।

মিয়ানমার বর্ডার থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পূর্ব ভারতের ইম্ফাল শহরে এই বাজারটির অবস্থান। এশিয়ার মধ্যে এটি নারীদের পরিচালিত সবচেয়ে বড় বাজার। ধারণা করা হয় , গোটা বিশ্বেও এটিই নারীদের একমাত্র বড় বাজার।

মায়েদের এই বাজারটি ঠিক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে ধারণা করা হয় ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে এই বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ‘ইমা কেইথল’ বাজারটি লাল্লুপ যুগে গড়ে ওঠে। ওই সময় মনিপুর সম্প্রদায়ের পুরুষদের প্রায়ই রাজাদের সেবায় ডাকা হতো। তখন তারা নারীদের ওপরই পরিবার ও কৃষিকাজের দেখাশোনার ভার দিয়ে চলে যেতেন।

তখন থেকেই ধীরে ধীরে বাজারটি গড়ে ওঠে। তবে শুধুমাত্র বিবাহিত নারীদেরই ওই বাজারে ব্যবসা করার অনুমতি আছে। বংশ পরষ্পরায় বিবাহিত নারীরা ব্যবসার সুযোগ পান।

বিভিন্ন সময়ে নারীদের এই বাজারের উপরে আক্রমণ নেমে এসেছে। ষড়যন্ত্র করা হয়েছে যাতে বাজার ভেঙে যায়। তবে নারীরা রুখে দাঁড়িয়েছেন। স্বাধীনতার আগে ১৯০৪ ও ১৯৩৯ সালে নারীরা রীতিমতো লড়াই করে বাজার রক্ষা করেছেন। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই বাজার বেশ কিছুদিন পুরোপুরি বন্ধ ছিল।

ঐতিহ্যবাহী এই বাজারে নিয়মিত পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যায়।এখানকার হস্তশিল্প, পোশাক এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি জিনিসপত্র তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। সূত্র : মেইল অনলাইন

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765