বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক নয়

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাধারণ জ্বর হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া খুব জরুরি নয়। তবে কিছু কিছু লক্ষণ আছে, সেগুলো দেখলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। বর্তমানে ডেঙ্গু ভাইরাসের আতঙ্ক চলছে। তাই জ্বর হলে তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। ডেঙ্গু শনাক্ত হলে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

এ ছাড়া ভাইরাল জ্বর সাধারণত চার থেকে পাঁচ দিন স্থায়ী হয়। ভাইরাল জ্বরে নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ জ্বালাপোড়া করে, মাথাব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আবার জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক নয়। তারপরও অনেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করেন। কারণ না জেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে সমস্যা হয়।

আসলে একই ওষুধ বিভিন্নভাবে কাজ করে। একই ওষুধ দেখা যায় কারও ক্ষেত্রে খাওয়া উচিত নয়, কারও ক্ষেত্রে খাওয়া উচিত। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন হলে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে।

প্রথমে লক্ষণ বুঝে চিকিৎসা নিতে হবে। যেমন প্যারাসিটামল খাওয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান এবং বিশ্রাম নিতে হবে। এতেই অধিকাংশ জ্বর সেরে যায়। তবে জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, কাশি ও কফ বের হওয়ার পাশাপাশি কফের সঙ্গে রক্ত গেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সেটি না হলে ন্যূনতম তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে।

ভাইরাল জ্বর সাধারণত তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আস্তে আস্তে কমে যায়। এ ছাড়া সমস্যা জটিল মনে করলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765