শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




চালের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে সিন্ডিকেট

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ঢাকার কয়েকটি খুচরা বাজারে প্রতি কেজি স্বর্ণা বা গুটি চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪০ টাকায়। কয়েক দিন আগেও ৩৪ টাকার নিচে ছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন টিসিবির বাজার বিশ্লেষণের তথ্য মতে, গত এক মাসে মোটা চালের দাম ২.৭৮ শতাংশ বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, মিনিকেট চালের দামও একটু একটু করে বাড়ছে। মানভেদে ৪৫-৫৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত প্রতি কেজি মিনিকেট চাল। বর্তমানে এ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা দরে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, মোটা চাল ও মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। সামনে আরো বাড়বে বলে পাইকাররা জানিয়েছেন। রামপুরা ওয়াপদা রোডের খুচরা বিক্রেতা শাহাদাত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগে প্রতি কেজি স্বর্ণা ৩৪ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন ৩৬ টাকার নিচে বিক্রি করার সুযোগ নেই।’ সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতা শাহিন বলেন, ‘চালের দাম একটু একটু করে বাড়ছে। সামনে আরো বাড়বে। কেবল তো শুরু!’

যদিও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে চালের দাম বাড়লেও ধানের দাম উল্টো কমছে। সরকার অতিরিক্ত ধান কেনার ঘোষণা দিলেও ধানের দাম বাড়েনি। সরকার গত ১১ জুলাই প্রাথমিকভাবে দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল রপ্তানির অনুমতি দেয়। এর উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা। কিন্তু কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য তো পাচ্ছেনই না, উল্টো স্থানীয় বাজারে বাড়ছে চালের দাম।

ভালো মানের এক কেজি মিনিকেট চাল উৎপাদনে খরচ পড়ে সাড়ে ৩৪ থেকে ৩৭ টাকা। পরিবহন খরচ দুই টাকা ধরলে দাম পড়ে ৩৬-৩৯ টাকা। অথচ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। এখানে ব্যবসায়ীদের পকেটে ঢুকছে ১৯-২১ টাকা।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যে টাকাটা মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে যাচ্ছে, সেটা কমিয়ে আনার জন্য সরকারকে পরিকল্পনা করতে হবে। আর ধানের দাম না বাড়া সত্ত্বেও চালের দাম বাড়াটা অস্বাভাবিক। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরি করেই বাজারকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন।’

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765