বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এস এম মাহমুদ হোসেন সেতুকে চারদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সোমবার বিকেলে সেতুকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম শুনানি শেষে চার দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত রবিবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেতু বুয়েটের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিএসসি সম্পন্ন করেছেন তিনি। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১২ কক্ষে থাকতেন। এ ছাড়া মানিকগঞ্জের একটি ওষুধ কম্পানিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন।
সেতুর নাম আবরার হত্যা মামলার এজাহারে নেই। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, সেতু আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে সাক্ষ্য প্রমাণে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া এ মামলায় আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও সেতুর নাম এসেছে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে আরো তথ্য জানা যাবে।
সেতুর গ্রেপ্তারের পর এ মামলায় মোট ২১ জন গ্রেপ্তার হলেন। এর আগে আটজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে আবরার হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।
গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।