শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




অর্থ আত্মসাতের মামলায় কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

খুলনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯

খুলনার কয়রায় চাকরি পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এলাকার কয়েকজন বেকার যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় কলেজ শিক্ষক তৌহিদুর রহমান। চাকরি ও টাকা ফেরত না পেয়ে ভূক্তভোগীরা আদালতে মামলা করলে শুনানি ও স্বাক্ষী শেষে তার অনুপস্থিতিতে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে সম্প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

কলেজ শিক্ষক তৌহিদুর রহমান খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের আবদুল করিম মোল্লার ছেলে। তিনি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মধুমতি কারিগরি কলেজে শিক্ষকতা করেন। অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও বেতন স্থগিত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কলেজ অধ্যক্ষ রাধুরাম মূখার্জি।

তিনি জানান, আদালতে মামলার আগেও ওই শিক্ষকের খোঁজে বিভিন্ন সময়ে কলেজে আসতেন চাকরি প্রার্থীরা। পরে আদালতে মামলার রায় হওয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ তার বেতন স্থগিত করেছে। তার প্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে নিয়ম অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ও পুলিশে চাকরি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে কলেজ শিক্ষক তৌহিদুর কয়রা উপজেলার বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছ প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে অনেকেই একাধিকবার নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েও চাকরি পাননি। পরে তার কাছে টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন তালবাহানা করে আসছিলেন। পরে শরিফুল ইসলাম নামে এক ভূক্তভোগী খুলনা প্রথম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় তার ৬ মাসের দন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765