শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ বা‌গেরহা‌টে কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনু‌ষ্ঠিত বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত বাগেরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উপকারভোগীদের প্রশিক্ষন শুরু দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে – শেখ তন্ময় এমপি চিতলমারীতে বিক্ষোভকারীদের ইটের আঘাতে কৃষকলীগ নেতা আহত




৪২ সন্তানের জননী তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯

আফ্রিকার উগান্ডায় বসবাস করেন ৩৯ বছরের মারিয়ম নবট্যানজি। সবমিলিয়ে ৪২ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এই নারী। তবে তাদের মধ্যে বেঁচে আছে ৩৮ জন।

কামপালার উত্তরে ৫০ কিলোমিটার দূরে কফি বাগান দিয়ে ঘেরা একটা ছোট গ্রামে ঘর বানিয়ে ৩৮ সন্তানকে নিয়ে সংসার মারিয়মের। নিজ দায়িত্বেই ৩৮ সন্তানের ভরণপোষণ দেন স্বামী পরিত্যক্তা এই নারী।

মাত্র ১২ বছর বয়সেই মরিয়মকে বিয়ে দেন তার দাদী। তার এক বছর পরই মারিয়ম যমজ সন্তানের জন্ম দেন। যমজ সন্তান পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলেন মারিয়ম। কিন্তু এর পর টানা চার বার তিনি যমজ সন্তানের জন্ম দেন। মারিয়ম বুঝতে পারেন, কোথাও একটা সমস্যা হচ্ছে। তিনি চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসক তাকে জানান, তার ডিম্বাশয়ের আকার অত্যন্ত বড় এবং তিনি নিজেও ভীষণ ভাবে ফার্টাইল।

ডা. চালিস কিগুন্ডু (গাইনোকোলোজিস্ট) মারিয়মের বিষয়ে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ওই অবস্থায় যদি তার গর্ভনিয়ন্ত্রণের অপারেশন করা হতো, তাহলে তার ক্ষেত্রে প্রাণঘাতীও হতে পারতো। কোনও গর্ভনিয়ন্ত্রক ওষুধও তার পক্ষে মারাত্মক হতে পারে বলে তখন মরিয়মকে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পরামর্শ দেননি ডাক্তাররা।

টানা চার বার জমজ সন্তানের পর টানা চার বার ত্রিপলেট (এক সঙ্গে তিন সন্তান) এবং তারপর পাঁচ বার কোয়াড্রুপলেট (এক সঙ্গে চার সন্তান)-এর জন্ম দেন মারিয়ম।

তিন বছর আগে শেষ বার মা হয়েছিলেন তিনি। সে বারও যমজ সন্তানের জন্ম দেন মারিয়ম। তাদের মধ্যে একজন মারা যায়। এর পরই তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় তার স্বামী। তারপর অন্য এক নারীকে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন মারিয়ামের স্বামী।

স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর ৩৮ সন্তানকে নিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন মারিয়ম। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। দাদীর দেওয়া বাড়িতে থেকে নানা রকম কাজ শুরু করেন তিনি। ভালোভাবে না চললেও মারিয়মের একার উপার্জনেই ৩৮ সন্তানের মুখে খাবার জোটে।

মারিয়ম জানান, আর্থিক অনটনের জন্য বাড়িতে মাছ-মাংস রান্না হয় না বললেই চলে। তবে পুরো পরিবারের জন্য সারাদিনে ২৫ কেজি ভুট্টা লাগে। বড়রা রান্না এবং ঘরের কাজে মাকে সাহায্য করে। সন্তানদের মধ্যে কোন দিন কে কোন কাজ করবে, তার একটা রুটিনও ঘরের দেওয়ালে টাঙানো রয়েছে।

এক গবেষণায় জানা গছে, উগাণ্ডাতে প্রতিটি নারীর গড় সন্তান সংখ্যা ৫.৬। যা এই মহাদেশের সর্বোচ্চ। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তথ্যানুসারে সারা বিশ্বে নারীদের গড় সন্তান সংখ্যা ২.৪ জন। সূত্র: আল জাজিরা, খালিজ টাইমস, এবিসি

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765