রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর চাচী রাজিয়া নাসেরের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন বাংলাদেশ শপ ওনার্স এন্ড বিজনেসম্যান সোসাইটির সাথে বাগেরহাটের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় বাগেরহাটে সহিংসতার ও নির্যাতনের শিকার নারীর রেফারেল বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ‘অনলাইন প্লাটফর্মে জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ




২০০ টাকা শোধ করতে ৩০ বছর পর ভারতে কেনিয়ার এমপি!

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯

৩০ বছর আগে ভারতে পড়তে এসে এক দোকানে ২০০ টাকা বাকি পড়েছিল। কেনিয়ার রিচার্ড টোংগি সেটি শোধ না করে দেশে চলে যান। এক সময় সাংসদ হওয়া টোংগি সেই ২০০ টাকার কথা ভুলে যাননি। শোধ করতে চলে এসেছেন ভারতে!

এতক্ষণ যা পড়লেন তা মোটেও বলিউড সিনেমার কোনো কাহিনি নয়। মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের বাস্তব ঘটনা।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে কেনিয়া থেকে ঔরঙ্গাবাদে পড়াশোনা করতে এসেছিলেন টোংগি। ম্যানেজমেন্ট কলেজের ছাত্র ছিলেন। চার বছর পড়াশোনা করার পর ১৯৮৯ সালে কেনিয়ায় ফিরে যান।

এই চার বছরে স্থানীয় মুদিখানা দোকানের মালিক কাশীনাথ গাউলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। যাওয়ার কিছুদিন আগে ২০০ টাকা বাকি পড়ে। সেটি দিতে ভুলে যান।

এরপর চলে গেছে ৩০ বছর। জীবনযুদ্ধে অনেক লড়াই করে হয়েছেন সাংসদ। একদিন হঠাৎ তার মনে পড়ে কাশীনাথের সেই টাকার কথা। সিদ্ধান্ত নেন ভারতে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করবেন।

টোংগি পরিবারসহ ভারতে পৌঁছান দিন চারেক আগে। মহারাষ্ট্র সরকার তাকে সংবর্ধনা দেয়। স্থানীয় পত্রিকার প্রথম পাতায় তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, টোংগিকে দেখে কাশীনাথ প্রথমে চিনতে পারেননি। পরে পরিচয় জানার পর কেঁদে ফেলেন।

উপকারী বন্ধুকে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি টোংগিও। স্মৃতিমন্থন করে বলেন, ‘ঔরঙ্গাবাদে যখন পড়াশোনা করতাম তখন খুব গরিব ছিলাম। কাশীর মতো মানুষেরা আমাকে খুব সাহায্য করেছিলেন। কেনিয়া ফিরে যাওয়ার পরেও সেই কথা ভুলতে পারিনি। কিছুদিন আগে আমার মনে হয়, ভারতে ফিরে গিয়ে পুরোনো ধার শোধ করতে হবে।’

‘এখানে আসার পর ওনারা আমাকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে খাওয়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি বলি যে ওনাদের বাড়িতেই খাব। কাশী ও তার পরিবারকে কেনিয়া যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765