রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর চাচী রাজিয়া নাসেরের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন বাংলাদেশ শপ ওনার্স এন্ড বিজনেসম্যান সোসাইটির সাথে বাগেরহাটের ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় বাগেরহাটে সহিংসতার ও নির্যাতনের শিকার নারীর রেফারেল বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ‘অনলাইন প্লাটফর্মে জেন্ডার সংবেদনশীলতা’ বিষয়ক কর্মশালা বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ




সিজারে কাটা গেল নবজাতকের মাথা

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৯

প্রসূতির সিজার করতে গিয়ে পেটের সঙ্গে গর্ভের নবজাতকের মাথাও কেটে ফেলেছেন চিকিৎসক। এতে নবজাতকের সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন বিবি কুলসুম ওরফে আকলিমা নামের ওই মা।

বুধবার রাতে নোয়াখালীর পৌর সদরের নিউ সেন্ট্রাল হাসপাতালে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। আকলিমা সেনবাগ উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের মো. রিপন হোসেনের স্ত্রী।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ হাসপাতালের মালিকসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। ভুল অপারেশনকারী চিকিৎসক মঞ্জুরুল হক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সেনবাগ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।

জানা যায়, কুলসুমের (আকলিমা) প্রসব বেদনা উঠলে বুধবার বিকেলে সেনবাগ পৌরসভার নিউ সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের মালিক হারুনুর রশিদ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী আমিনুল ইসলামকে নিয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মঞ্জুরুল হক সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করানোর জন্য প্রসূতিকে অপারেশন থিয়েটারে নেন। সেখানে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কর্মী আমিনুল রোগীকে অ্যানেসথেসিয়া দেন।

এরপর ডা. মঞ্জুরুল হক প্রসূতির তলপেট কাটতে গিয়ে গর্ভের শিশুর মাথা কেটে ফেলেন। বিষয়টি তিনি টের পেয়ে বাচ্চা প্রসব না করিয়ে রোগীর তলপেটে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তড়িঘড়ি করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পথে আকলিমা ও তার পেটের সন্তান মারা যায়।

এ ঘটনায় গৃহবধূ আকলিমার বাবা সিদ্দিকুর রহমান বাদী হয়ে হাসপাতাল মালিক ও অপারেশনকারী চিকিৎসকসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

সেনবাগ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশ অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলো- হাসপাতালের মালিক পৌরসভার বাবুপুর গ্রামের ওহিদুর রহমানের ছেলে হারুনুর রশিদ ও পরিচালক উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের মাহমুদুল হকের ছেলে আমিরুল ইসলাম।

সিভিল সার্জন ডা. মোমিনুর রহমান বলেন, ঘটনা তদন্তে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765