রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে ওয়ার্কিং কমিটির মৎস্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা পরিদর্শণ হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা বাগেরহাটে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কর্মবিরতি বাগেরহাটে পরিবার পরিকল্পনা সেবার মান উন্নয়নে ওয়ার্কিং কমিটির সভা রামপালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বসতবাড়িতে ঢুকে গাছপালা কর্তনের অভিযোগ বা‌গেরহা‌টে কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনু‌ষ্ঠিত বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত বাগেরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উপকারভোগীদের প্রশিক্ষন শুরু দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দাত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে – শেখ তন্ময় এমপি চিতলমারীতে বিক্ষোভকারীদের ইটের আঘাতে কৃষকলীগ নেতা আহত




ফেসঅ্যাপের সাহায্যে ১৮ বছর পর সন্তানের খোঁজ পেলেন বাবা-মা!

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯

লি’র বয়স তখন মাত্র তিন বছর। ঘটনাক্রমে একদিন সে হারিয়ে যায় পরিবারের কাছ থেকে। ১৮ বছর পর সম্প্রতি ফেসঅ্যাপের মাধ্যমে লি’র খোঁজ পেয়েছেন তার বাবা-মা।

হারিয়ে যাওয়া সেই সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের মিলিত হওয়ার ওই দৃশ্য এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ময়কর এ ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শেনজেন প্রদেশে।সেদিনের সেই ছেলেটি এখন ২১ বছরের তরুণ। যার বর্তমান নাম শাই  ইউ ওয়েইফেং। চীনের গুয়াংঝৌ প্রদেশের একটি কলেজের শিক্ষার্থী সে।

জানা গেছে, ২০০১ সালে নির্মাণাধীন একটি বাড়ির সামনে খেলছিল ওয়েইফেং। ওই বাড়িতেই ফোরম্যানের কাজ করছিলেন তার বাবা। ওখান থেকেই নিখোঁজ হয় সে। ছেলের নিখোঁজের পর অপহরণের মামলা করেন ওয়েইফেংর বাবা-মা ইউ শিংকুয়ান এবং রোং মুহুয়ান। ওই সময় ছেলেকে খুঁজে পেতে পুরষ্কারও ঘোষণা করেন ইউ। কিন্তু  দীর্ঘদিন ধরে সন্ধান চালিয়েও খোঁজ পাননি ছেলের। কিন্তু তারপরও হাল ছাড়েননি তারা। কিছুদিন আগে ফেসঅ্যাপ দেখে তারা চিন্তা করেন ১৮ বছর পর তাদের সন্তান কেমন হবে সেটা মিলিয়ে সন্তানকে খোঁজার চেষ্টা করবেন । এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা।

ওয়েইফেংর বাবা-মায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে জায়ান্ট টেনসেন্ট নামের একটি চাইনীজ কোম্পানীর তৈরি ফেসঅ্যাপের মাধ্যমে গত দুইমাস ধরে বিভিন্ন জায়গায় হাজারো ব্যক্তির মুখ মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।

এভাবেই গুয়াংঝৌ প্রদেশে তারা খুঁজে পান হারানো ছেলেকে। তদন্তকারী এক কর্মকর্তা জানান, ‘ওয়েইফেং প্রথমে বিশ্বাস করতে চাইছিল না তার অপহরণের ঘটনা। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার সত্যিকারের বাবা-মায়ের পরিচয় নিশ্চিত হয়’।

ওয়েইফেংর বাবা ইউ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ ১৮ বছর ধরে আমার সন্তানকে লালনপালন করায় তার পালক বাবা-মায়ের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ’। তিনি আরও বলেন, ‘ আমার ছেলের পালক বাবা আমার ভাইয়ের মতো। এখন থেকে আমার ছেলের দুজন করে বাবা-মা হলো’। সূত্র : মিরর

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765