বাগেরহাটে শিক্ষকের ঘুষিতে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী মীম খাতুন (১০) অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পূরবী রানী দাস এই তদন্ত কমিটি গঠন করেন। আগামী তিন কার্য দিবসের ভিতর এই কমিটিকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মোস্তাকিন বিল্লাহ ও বিকাশ চন্দ্র দাস। রোববার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পূরবী রানী দাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, কোন শিক্ষার্থীকে শারীরিক বা মানুষিক আঘাত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওই শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রæয়ারী) তার মেয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়া না পারায় মাঝিডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সামছুল হাদি তার বুকে সজোরে ঘুষি মারে। এদিন রাতে সে অসুস্থ হয়ে বমি করতে থাকে। এসময় মীম শিক্ষকের ঘুষি মারার বিষয়টি অভিভাবকদের জানায়। পরে তাকে বাগেরহাট শহরের একজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) আবার অসুস্থ হয়ে বমি করতে লাগলে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসা হয়। গত ৫ দিনে দুই দফায় চিকিৎসা নিয়েও তার বমি বন্দ হয়নি। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন মীমের পিতা শেখ ওলিয়ার রহমান।