ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বাগেরহাটের দরিদ্র মেধাবী জমজ দুই বোন সাদিয়া আক্তার সুরাইয়া ও নাদিরা ফারজানা সুমাইয়ার পাশে দাড়ালের বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান। সোমবার (০৭ অক্টোবর) সন্ধায় তিনি বাগেরহাট পৌরসভা কার্যালয়ে মেধাবী ও দুই শিক্ষার্থীর হাতে ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের ভাইচ চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম, মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভিন, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি সরদার ওমর ফারুক, পৌর কাউন্সিলর মোল্লা নাসির উদ্দীন, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ সরদার আবু সাঈদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারন সম্পাদক শেখ ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।
এ সময় পৌরমেয়র খান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি যখন যেনেছি তোমরা ঢাবিতে চান্স পেয়ে টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছো না। এটা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। তাই আমি তোমাদের ভর্তির জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করলাম। আমার সহযোগীতা সবসময় তোমাদের জন্য অব্যহত থাকবে। ভাল পড়াশুনা করে, তারা ভাল মানুষ হয়ে দেশের কল্যানে নিজেদের বিলিয়ের দেয়ার আহবান জানান তিনি।
আরো পড়ুন- বাগেরহাটের সেই মেধাবী যমজ দুই বোনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক
ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে (গ ইউনিট) বাণিজ্য বিভাগে সুমাইয়ার মেধাক্রম ৮৪৬ এবং সুরাইয়ার মেধাক্রম ১১৬৩। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্স পেয়েও টাকার অভাবে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার অনিশ্চিয়তার মধ্যে পরেছিলেন বাগেরহাট পৌরসভার হরিণখানা এলাকার রাজমিস্ত্রি দিনমজুর মহিদুল হাওলাদারের দুই জমজ মেয়ে সাদিয়া আক্তার সুরাইয়া ও নাদিরা ফারজানা সুমাইয়া। এরআগে দুই বোনের পড়ালেখার দায়িত্ব নেন জেলা প্রশাসক। একই সাথে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন মেধাবী ওই দুই শিক্ষার্থীকে দুটি মুঠোফোন প্রদান করেন। এসময় পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান তাদের আর্থিক ভাবে সহয়তার আশ্বাস দেন। তারই অংশ হিসেবে এই চেক প্রদান করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের ভর্তির শেষ দিন ৩১ অক্টোবর।