বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ




স্বামীর খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ক্র্যাচে ভর করে মানববন্ধনে যোগ দিলেন স্ত্রী (ভিডিও)

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে প্রকাশ্য দিবালোকে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে পিটিয়ে কুপিয়ে ও গুলিকরে হত্যার এক বছর পূর্তী আজ। খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দৈবজ্ঞহাটি এলাকায় আঞ্চলিক মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি।

২০১৮ সালের ১লা অক্টোবর দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী দিহিদার(৪৫)ও ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি শুকুর শেখকে(৩৮) হত্যা করে দলীয় নেতা কর্মীরা। একই সাথে পিটিয়ে দুই পা ভেঙ্গে দেওয়া হয় আনছার আলীর স্ত্রী মঞ্জু খানমের এবং যুবলীগ কর্মী বাবুল শেখের।

নিহত আনছার আলীর পঙ্গু স্ত্রী মঞ্জু খানম ক্রাচে ভর করে মানববন্ধনে যোগ দেন। এ ছাড়াও তার বৃদ্ধ পিতা নেছার আলী দিহিদার, মেয়ে ছাবরিনা আফরিন সুমি, ছেলে শাওন দিহিদার, নিহত শুকুর আলীর বড় ভাই ফারুক আহমেদ, ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি কিছলুর রহমন খোকন, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াদুদ শেখ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পারুল আক্তার, যুবলীগ সভাপতি আকন হাবিবুর রহমানসহ শতশত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ গ্রহন করেন।

দলীয় কোন্দলের কারনে গেল বছর আ. লীগ দলীয় চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরের নেতৃত্বে এ জোড়া হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। ওই দিনই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল (ইউনিয়ন পরিষদ) থেকে শহিদুল ফকিরকে গ্রেফতার করে। চেয়ারম্যানের কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র ও লাঠি।

এ ঘটনায় থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। পৃথক ৩টি মামলায় শহিদুল ফকিরসহ ৯৩ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ দীর্ঘ ৭ মাস তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৪ জুন সবকটি মামলার প্রধান আসামি চেয়ারম্যান শহিদুল ফকিরসহ ৫৮জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

থানার ওসি(তদন্ত) ঠাকুর দাশ মন্ডল বলেন, জোড়া হত্যাকান্ডের নায়ক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল ফকির, পরিষদের দুই মেম্বার সুনিল ও সামছুর রহমান শ্যাম, দফাদার আবুলসহ ৬ আসামি জেল হাজতেই আছেন। পলাতক আছেন চার্জশীটভূক্ত আসামি পরিষদের মেম্বার মোদাচ্ছের আলী, আলামিন, আফছার মল্লিক ও আলী আজিম খান।

 

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765