বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মেহেদী হাসান প্রিন্সের পক্ষ থেকে কম্পিউটার প্রদান




এক মাসের শিশু ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯

কান্নার শব্দ শুনে দরজা খুলতেই বাড়ির মালিক তানিয়া দেখতে পান মাটিতে পড়ে থাকা একটি শিশু চিৎকার করে কান্না করছে। তখন বাজে রাত ৮ টা। অচেনা শিশুটিকে দেখে চিৎকার দিয়ে ওঠেন তানিয়া। এসময় আশপাশের আরও কয়েকজন নারী ছুটে আসেন। তারা ফুটফুটে শিশুটিকে কোলে তুলে নেন। মুহুর্তেই লোকজন ছুটে আসে। পরে তানিয়ার স্বামী অশোক চন্দ্র পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির মা শিশুটিকে ওই বাড়ির মূল ফটকের সামনে মাটিতে ফেলে রেখে চলে যায় বলে অনুমান করছে স্থানীয়রা। শিশুটির বয়স ১ মাস।
পুলিশ জানায়, এই শিশুটির মা রিমু আক্তার। তার স্বামীর বাড়ি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এলাকায়। ওই নারীর বাবার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় এবং নানার বাড়ি পঞ্চগড় জেলা শহরের কামাত পাড়া এলাকায়। তিনি এই এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকলেও হঠাৎ অন্যত্র চলে যান। দেড় বছর পর তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার নানা বাড়ি এলাকায় আসে। সন্ধ্যার পরে ওই এলাকার পেয়ারা মজুমদার নামে এক গৃহবধূকে তার কন্যা সন্তানটিকে রাখতে বলেন।

পেয়ারা মজুমদার জানান, রিমু তার ওই শিশু সন্তানকে আমাকে দিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে তাকে পরে আসতে বলেন। এর পর পরই শিশুটিকে তানিয়ার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চলে যায় সে। শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে দত্তক নেয়ার জন্য হাসপাতালে ভিড় জমে ওঠে। এসময় শিশুটিকে এক পলক দেখার জন্য অনেক লোকজন ছুটে আসে। অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। দত্তক নেয়ার আগ্রহীরা শিশুটিকে যত্ন সহকারে লালন পালন করবেন বলে জানান।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সিরাজদৌল্লা পলিন জানান, শিশুটি সুস্থ আছে। শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পরে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী শিশুটিকে দেখতে আসেন। জেলা প্রশাসক শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক জানান দত্তক নেয়ার জন্য অনেকেই ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। কিন্তু আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দত্তক নিতে হবে। তিনি শিশুটির সকল প্রকার দায়িত্ব নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে শিশুটির মা ও বাবাকে খুঁজছে পুলিশ।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765