বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




সাংবাদিক পরিচয়ে ইলিশ শিকার, আটক ১০

বরিশাল প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে ইলিশ শিকারের সময় ১০ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় একটি ট্রলার, ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ২০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে আটকদের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার বিকেলে আটককৃত ‘কথিত সাংবাদিক’ হলেন ঝন্টু, হাসিব, ইমরান, রানা, আব্দুর রহমান, জহিরুল চৌধুরী, আরিফ হোসেন, মোর্শেদ আলী ইমন, হাফিজুর রহমান ও রুহুল আমীন।
অভিযান পরিচালনাকারী ‘সিজিএস বগুড়া’ জাহাজের কনটিনজেন্ট কমান্ডার আকিবুল ইসলাম বলেন, এই চক্রটি প্রতি বছর ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞাকালীন ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে কৌশলে বিভিন্ন নদীতে ইলিশ শিকার করে আসছিল। এবারও একইভাবে ক্রাইম রিপোর্টার্স বরিশাল বিভাগ লেখা এক রংয়ের গেঞ্জি পরে শুক্রবার বিকেলে কীর্তনখোলা নদীতে ইলিশ শিকার করছিল। এ সময় কোস্টগার্ডের অভিযানে তাদের আটক করা হয়। তখন তারা নিজেদের ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর মূল ঘটনা উদঘাটন হয়।

আটকদের মধ্যে দুই জনের সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। অপর ছয়জন ক্রাইম রিপোর্টার্স বরিশাল বিভাগের সদস্য এবং বাকি দুই জন জেলে।

বরিশালের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস জানান, আটককৃত ১০ জনকে শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস দাস ও মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন। দণ্ড ঘোষণার পর তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। জব্দকৃত জাল ধ্বংস এবং ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765