শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ক্যাসিনো খালেদ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো মালিক যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেফতারের পর র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে দেশি-বিদেশি সিন্ডিকেটের বিষয়েও তিনি মুখ খুলেছেন। ক্যাসিনো পরিচালনা থেকে আসা আয়ের ভাগ কার কার কাছে যেত তাদের নামও বলেছেন খালেদ।

সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা খালেদ যাদের নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী এবং রাজিনীতিবিদও রয়েছেন। প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন খালেদ।

যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থেকে ক্যাসিনো ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করতেন বলেও জানিয়েছেন খালেদ। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছে র্যা ব।

র‌্যাব জানায়, খালেদ তাদের কাছে দাবি করেছেন, প্রতিটি ক্যাসিনোতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা লেনদেন হতো। লাভের অংশের টাকা তিনি প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

কাউকে কাউকে তিনি গাড়িও উপহার দিয়েছেন। অনেককে দামি মোবাইল ফোনও উপহার দিয়েছেন। পুলিশের ডিসি থেকে ওসি পর্যন্ত মাসিক ভিত্তিতে টাকার ভাগ পৌঁছে দিতেন বলেও জানান তিনি।

পুলিশের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত তার ক্যাসিনো ব্যবসার কথা জানত। ক্যাসিনোর অর্থ তিনি বিদেশে অবস্থানকারী আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীদের কাছেও পৌঁছে দিতেন।

মগবাজার এলাকার একসময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী নাজির আরমান নাদিম ও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের হয়ে তিনি ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের তিনি ঢাকা থেকে অর্থ পাঠাতেন।

র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ জানিয়েছেন, ক্যাসিনো ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আয় করা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব টাকা পাচার করেছেন তিনি।

তবে কত টাকা তিনি পাচার করেছেন, এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে এরই মধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

বুধবার রাতে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গুলশানের বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করে র্যা ব। দুপুরের পর থেকে ইয়াংমেনস ক্লাবের ক্যাসিনোতেও অভিযান চালায় র্যা ব।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি র‌্যাব ৩-এর হেফাজতে ছিলেন। দুপুরের পর তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিকালে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনে আলাদা তিনটি এবং মতিঝিল থানায় মাদক আইনে একটি মামলা করে র্যা ব।

খালেদ বর্তমানে ডিবি (উত্তর) কার্যালয়ে রয়েছেন। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার মামলাগুলো তদন্ত করছে ডিবি।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765