বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




রোহিঙ্গা কন্যার কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠানে এক কেজি স্বর্ণ ও ৪৫ লাখ টাকার উপহার!

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৯
প্রতীকী ছবি

শুনলে বিস্ময়ে অবাক মানতে হয়। কিন্তু ঘটনা সত্য। কাহিনীটি এক রোহিঙ্গা ডাকাতের। টেকনাফের দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদের কিশোরী কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া গেছে এক কেজি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ লাখ টাকা।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ গতকাল শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি জানিয়ে নিশ্চিত করেছেন—এ ঘটনার পর কয়েক দফা অভিযান চালানো হয় রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদকে ধরতে। কিন্তু তিনি তাঁর বাহিনী নিয়ে টেকনাফের গহিন পাহাড়ে লুকিয়ে আছেন। ফলে ধরা যায়নি।

ওসি বলেন, ‘কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে এ রকম উপহারসামগ্রী পাওয়ার বিষয়টি এলাকাবাসীও জানে।’

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিন নুর মোহাম্মদ তাঁর কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গরু-ছাগল জবাই করে আয়োজন করা হয় ভোজ অনুষ্ঠানের। আমন্ত্রিতদের সবাই রোহিঙ্গা ডাকাত, সন্ত্রাসী এবং ইয়াবা কারবারি।

তিনি আরো জানান, ১৯৯২ সালে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় প্রথমে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে সেখানে জমি কিনে ঘরবাড়ির মালিক হয়ে যান। এপারে আশ্রয় নেওয়ার পর ওপারের রোহিঙ্গাদের নিয়ে সীমান্তে গড়ে তোলে বিশাল ডাকাত বাহিনী।

এই ডাকাত বাহিনী অপহরণ, ডাকাতি, ছিনতাই, মানবপাচারসহ সীমান্তে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়ে। আর দুই বছর আগে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা ঢলের পর নুর মোহাম্মদ ডাকাতের প্রতাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এলাকার পাঁচ-ছয়টি রোহিঙ্গা শিবির, টেকনাফের বিস্তৃত পাহাড়, সীমান্তের নাফনদ ও নাফনদের ওপারে রাখাইনের অভ্যন্তরে থাকা ইয়াবা কারখানা ও গবাদি পশুর বাজার নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এসব অপকর্ম করে বাহিনীর সদস্যরা কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যায়।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আরো জানান, নুর মোহাম্মদ ডাকাত সর্দার হওয়ার কারণে ভোজের দাওয়াতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, ডাকাত ও ইয়াবা কারবারিরা অংশ নেয়। তাঁর ভোজ অনুষ্ঠান থেকে গিয়েই ওই দিন রাতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা খুন করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে।

তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ ডাকাতের চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পাকা ভবন, একটি দোতলা টাওয়ার, একটি টিনের ঘর, অন্যটি বাগানবাড়ি।

ডাকাত নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ অনেক মামলা রয়েছে। তিনি একজন মোস্ট ওয়ানটেড আসামি।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765