শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




যেভাবে মোহাম্মদপুর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হন ‘পাগলা মিজান’

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৯

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের আলোচিত নেতা হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার সকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে তাকে র‌্যাবের একটি বিশেষ টিম গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন এবং নগদ দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। বিকালে মিজানকে নিয়ে ঢাকার লালমাটিয়ায় তার অফিস ও মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পাগলা মিজানের আসল নাম ছিল মিজানুর রহমান মিজান। ফ্রিডম পার্টির ধানমণ্ডি-মোহাম্মদপুর থানার কো-অর্ডিনেটর মিজান পরে নাম পাল্টে হয়ে যান হাবিবুর রহমান মিজান। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সুযোগে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়েন। তবে মোহাম্মদপুরের বাসিন্দারা তাকে ‘পাগলা মিজান’ নামেই চেনেন।

যেভাবে আওয়ামী লীগে ভিড়েন: দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে মিজানুর রহমান নিজের নাম পাল্টে হাবিবুর রহমান মিজান হয়ে যান। ফ্রিডম পার্টি ছেড়ে তিনি আওয়ামী লীগে ভেড়েন। এখন তিনি মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এলাকায় তার খুব দাপট।

জানা গেছে, হাবিবুর রহমান মিজান নাম ছাপিয়ে লোকে তাকে ‘পাগলা মিজান’ হিসেবেই চেনেন। তার এ নামকরণের পেছনেও আছে রোমাঞ্চকর ঘটনা। স্বাধীনতার পর মিজান মোহাম্মদপুর এলাকায় শুরু করেন চাঁদাবাজি ও ছিনতাই।

১৯৭৪ সালের প্রথমদিকে ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় তিনি পরিচিতি পান। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ১৯৭৫ সালের মাঝামাঝি খামারবাড়ি খেঁজুরবাগান এলাকায় ছিনতাই করার সময় মিজানকে ধাওয়া দেয় পুলিশ। লালমাটিয়া মসজিদের পাশে পৌঁছেই মিজান পুকুরে লাফ দেন। পুকুর থেকে তাকে উঠতে পুলিশ বারবার বললেও মিজান উঠতে নারাজ।

এভাবে প্রায় চার ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর মিজান হঠাৎ পরনের সব কাপড় খুলে ফেলেন। বিবস্ত্র অবস্থায় উঠে যান পাড়ে। তার এমন আচরণে রীতিমতো হতভম্ব হন পুলিশ সদস্যরা। তাকে পাগলা মনে করে পুলিশ ছেড়ে দেয়। তখন থেকে এলাকার মানুষ তাকে পাগলা মিজান নামে ডাকতে শুরু করেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, মিজান বাহিনী এ পর্যন্ত কয়েকশ’ কোটি টাকার টেন্ডারবাজি করেছে। এছাড়া ভূমি দখল, চাঁদাবাজিসহ মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্পে মাদক ও চোরাই গ্যাস-বিদ্যুতের ব্যবসার নিয়ন্ত্রক পাগলা মিজান। স্থানীয়রা জানান, খুন-খারাবি পাগলা মিজানের বাঁ হাতের কাজ। এ কারণে এলাকায় কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলেন না।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765